শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

নরেন্দ্র মোদী জি কে বিয়ে করার দাবি নিয়ে ধরনা ,

যন্তর মন্তরে এক কোনে ধরনা,
আপনারা অনেক ধরনার কথা সুনেছেন,
কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কে বিয়ে করার ধরনা শুনেছেন কি কখনও  ?
আমার নাম শান্তি শর্মা আমার বয়স 44+ আমার বিয়ে হয়েছিল 1988 সালে আমার বিয়ের এক বছরের মধ্যেই আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে দেয় ,
আমাকে অনেকেই বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব পাঠিয়ে ছিল কিন্তু আমি সব প্রত্যাখ্যান করি , আমার অনেক জমি আছে আমি বিয়ে করতে চাই মোদী জী কে কারন উনি সত ধার্মিক, গরিব দরদী
দেশের ও দশের মঙ্গল চান। ওনার থেকে
ভালো বর আর পাবোনা তাই আমার দাবি আমাকে বিয়ে করতে হবে আমি ওনার থেকে বয়সে ছোট্ট, আমি বাকি জীবন টা ওনার সেবা করে কাটিয়ে দিতে চাই ।
কিন্তু এক প্রশ্নে বলেন মোদী জীতো বিবাহিত,
শান্তি শর্মা বলেন' মোদী জী তো তার স্ত্রীর সঙ্গে থাকে না , তাহলে আমাকে বিয়ে করতে অসুবিধা কোথায় ।
আমাকে বিয়ে করলে মোদী জীকে 50 কোটি টাকা দেবো পন বাবদ আমার সমস্ত জমিজমা বিক্রি করে দেবো ।
রাজস্থানের ওম শান্তি শর্মা ,8 সেপ্টম্বর থেকে ধর্না দিচ্ছে দিল্লির যন্তর মন্তরে ।
ওনি বলেন আমার মাথা ঠিকই আছে মোদী জী গরিব দুঃখি জনের কথা শোনে
তাহলে আমার কথা কেন নয়  ?
তথ্য সুত্র হিন্দি নিউজ,

বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৭

যদি পরমাণু বোমা আপনার কাছেই পড়ে বাঁচবেন কি ভাবে ? পড়ুন

পরমাণু বোম ফাটলে বা পড়লে ভয় পাওয়ার দরকার নেই,
জানুন বাঁচবেন কি ভাবে,
যদি দেখেন পরমাণু আপনার সামনে
দেড় মাইলের মধ্যে পড়েছে তাহলে প্রথমেই ছোটাছুটি না করে সোজা হয়ে দাঁড়ান প্রথম শব্দ হওয়ার সাথেসাথেই চোখ বন্ধ করে নিন
আপনার ইষ্ট দেবতার নাম জব করেনিন
5 সেকেন্ডেই পরের শব্দটি হওয়ার সাথে
আপনার ভাবনাটি অন্তত চারিদিকে উড়েবেড়াবে কয়েক মিনিট ।
কারন এতকাছ থেকে এত দ্রুত বাঁচা সম্ভব নয় ।
তবে যদি একটু দূরে
মানে দেড় মাইলের থেকে বেশি হয়  পরমাণু পড়ে তাহলে বাঁচা সম্ভব, মাত্র 5 সেকেন্ডে ব্যাবস্থা নিতে হবে '
কি ভাবে বুঝবেন পরমাণু হামলা হয়েছে
প্রথম শব্দ হওয়ার সাথে তরকারি রান্নার সময় যে ভাবে পাঁচফোড়ন দেওয়ার শব্দ হয় আর একটি ধোঁয়ার কুন্ডুলি পাকিয়ে উপরে উঠে সেইরূপ দেখতে দুরের আকাশে দেখতে লাগবে সময় নেই প্রথম শব্দ হওয়ার 5 সেকেন্ডের মধ্যেই কাছাকাছি কোথাও চওড়া দেওয়াল নিচু খাদ গর্ত ভাব এমন জায়গায় গিয়ে কানে
দুই হাত দিয়ে জোরে কান বন্ধ করূন জমিতে মুঁখ নিচু করে শুয়ে পড়ুন কারন
প্রথম শব্দ হওয়ার পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে যে শব্দ টি হবে আগের থেকে একশ গূণ বেশি আওয়াজ আর ভূমিকম্প হবে কান বধির হয়ে যেতে পারে ।
আর আপনি এইটা ভাবছেন তবে কি করে
বাঁচাযাবে , 3 সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার মাটির নিচে থাকা বাড়িতে চলে যান,
অবশ্যই আগে থেকে বানিয়ে রাখূন,
কি ভাবে বানাবেন মাটির অন্তত দশ বারো ফুট নিচে পাথর দিয়ে বা ইঁট বালি সিমেন্ট হলে চার পাঁচটি ইঁটের সমান চওড়া করে দেওয়াল করতে হবে মজবুত না হলে ভূমিকম্পে ভেঙে পরবে ।
ওই ঘরের মধ্যে আগে থেকেই যাযা রাকতে হবে 20 25 দিনের খাবার জল খাবার, রেডিও কারন পরমাণু হামলা হলে মোবাইল গুলি কাজ করবেনা ,
টর্চ ব্যাটারি শুকনো খাবার নিরামিষ, বমির, ঘুমের, জ্বরের, কাটাছেঁড়ার ইত্যাদি ওষুধপত্র রেখেদেবেন, ওখানে যতজন থাকবেন অন্তত পক্ষে 20 দিনের খাবার জল খাবার ওষুধপত্র নিবেন, কুড়ি দিনের পরে বেরোবেন, তার আগে বেরলে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার ভয় আছে , তবে রেডিও তে কান রাখবেন ততদিনে দেশের সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজে নেমে পড়বে ।জলটা বেশি করে রাখবেন বেশি বেশি খাবেন না, কম খাবেন ।
পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন,
তাহলে যদি বাঁচা সম্ভব হয়তো ।
যদি ভালো লাগে এই লেখাটি লাইক করে শেয়ার করবেন, তিরঞ্জন,

শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ভুলেও এই অ্যাপস গুলো ডাউনলোড করবেন না আপনার ব্যাক্তিগত সমস্ত তথ্য চুরি হয়ে যাবে ।

ভারত সরকারের মতে ,
এই অ্যাপস গুলো ডাউনলোড করা থেকে
বিরত থাকুন ।
না হলে বিপদ আপনার ।

টাঁকিঙ্গ ফ্রাঁগ, পাকিস্তানের ডিজাইন করা ,
এই অ্যাপস আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য মোবাইল থেকে চুরি করে নেয় ।

এই জন্য এই অ্যাপস গুলো ডিলিট করেদিন ।পাকিস্তানের জংগিরা ভারতীয় দের বিভিন্ন তথ্য যেমন ব্যাংক, দেশের ও দশের ইত্যাদি তথ্য নিয়ে নেয় স্মার্ট ফোন থেকে ।

এই সংগঠন গুলো গোপনে এইসব অ্যাপের মাধ্যমে গোয়েন্দা গিরি করছে ,
তাই এখুনি সাবধান হোন ।
গৃহ মন্ত্রালয় সাইবার ক্রাইম থেকে বাঁচতে
নিজের স্মার্ট ফোন থেকে এই সব অ্যাপস গুলো ডিলিট করতে বলেছে ।

যেমন-টাঁপগন (গেম ) এমপিজন্কী , সংগিত এপ, বিজাজনি বিডিও এপ্স,
আর এন্টরটেনম্যান এপ, আর টাঁকিঙ্গ ফ্রাঁগ অ্যাপস গুলো তাড়াতাড়ি মুছে ফেলুন,

গৃহ মন্ত্রালয়ের মতে পাকিস্তানের সংগঠন গুলো মোবাইলের মাধ্যমে মালোয়ার ভাইরাস ছড়িয়ে বিভিন্ন তথ্য হাতাচ্ছে , এইসব অ্যাপসের মাধ্যমে ।

তা ছাড়াও আরও পাঁচটি অ্যাপস থেকে সতর্ক হোন ।
যেমন অ্যান্ডরয়েড ডিফেন্ডার এই অ্যাপস গুগল প্লেষ্টোর ছাড়া বিভিন্ন সাইট থেকে ডাউনলোড করা যায় ,Google Play Store উপলব্ধ হয় না ।

সিংপলাঁকর এটি এন্ডরয়েট রেনসোবেয়ার
ফাইলকে এন্ক্রিপ্ট করে ।

এডল্ট প্লেয়ার এটি খারাপ ভিডিও প্লেয়ার
এটি আপনার ব্যাক্তিগত ফাইলকে চুরি করে ।

লকারপিন Google Play Storeথেকে
পাওয়া যায় না , অন্য সাইট থেকে ডাউনলোড করবেন না ।

লঁকডাইড এই অ্যাপস টি কে কখনও মোবাইলে ডাউনলোড করবেন না ।
        তথ্য সুত্র হিন্দি নিউজ ।

বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

আবেদন যাত্রা অর্থ লগ্নি কান্ডে , অর্থ ফেরত পাওয়ার আন্দলন,

গতকালের আন্দলনে হাজার হাজার মানুষের
ঢল অনেক বিশিষ্ট জন উপস্থিত ছিলেন ।
সত্য বললে হয়তো দোষী হবো ।
আসল চোররা দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের সবাইকে আগে জেলে পুরতে হবে। তারপর চিটফান্ডের টাকায় তৈরি করা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলামে বিক্রি করে কোটি কোটি গরিব প্রতারিত লাঞ্ছিত এজেন্ট গরিব আমানতকারীদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।
টাকা ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত এই ঐক্য সর্ব ভারতীয় দের মিলিত আন্দোলন পঞ্চায়েত বা পুরসভার মতো একেবারে নিচুস্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে।মঙ্গলবার চিটফান্ড আমানতকারী ও এজেন্টদের সুরক্ষা মঞ্চের ডাকে ধর্মতলায় আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় এইভাবে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র,
সূর্যকান্ত মিশ্র ই নন, গতকালের সভায় উপস্থিত শ্যামল চক্রবর্তী, সুজন চক্রবর্তী, বিকাশ ভট্টাচার্য, দীপক দাশগুপ্ত, অশোক ঘোষ, অসীম চট্টোপাধ্যায়ের ও আরো শুভবুদ্ধি সম্পন্ন ব্যাক্তিগণ ।
একই সুরে এই সওয়াল করেন কংগ্রেসের নামি বিধায়ক অসিত মিত্র ।
তবে সমাবেশে উদ্যোক্তারা তৃণমূল ও বিজেপিসহ আরও অনেক দলকে আমন্ত্রণ জানালেও বাকিরা কেউই তাদের প্রতিনিধি পাঠায়নি। সম্ভবত গোটা কর্মসূচির পিছনে মূলত সিপিএমের উদ্যোগ থাকায় জোড়াফুল বা পদ্মফুল শিবির এই রাস্তায় হাঁটেনি।
চিটফান্ডকাণ্ডে ভুক্তভোগীদের এই কর্মসূচি
পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আরও অন্তত 20,22 টি রাজ্য থেকে মানুষ এসে জড়ো হয়েছিলেন এই শহরে। হাওড়া ও শিয়ালদহ থেকে দুটি বিরাট মিছিল বের হয়ে ধর্মতলায় আসে। এই সমাবেশের নাম দেওয়া হয়েছিল আবেদন যাত্রা। এই প্রথম কোনও সংগঠন কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার, এমনকী রাজ্যপালের মতো কোনও সাংবিধানিক কর্তার কাছে স্মারকলিপি দিল না। পরিবর্তে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আমাদের
আর্জি নিয়ে হাজির হয়েছিল সুরক্ষা মঞ্চের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের আহ্বায়ক সুবীর দে’সহ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধান বিচারপতির প্রতিনিধি হিসাবে দেখা করে দাবিপত্র গ্রহণ করেন তাঁর দপ্তরের এক সিনিয়র আধিকারিক। সুবীরবাবু পরে জনসভায় এসে মাইকে দাবি করেন, চিটফান্ড সংস্থা ও তার সুবিধাভোগীদের যাবতীয় সম্পত্তি বাজারদরে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার ভাগাভাগি করে অধিগ্রহণ করুক এবং এব্যাপারে উচ্চ আদালতে একাধিক কমিটি গঠন করে সেই অর্থ বণ্টনের নির্দেশ দিক
তাদের এই দাবি বিবেচনাযোগ্য বলে মনে করেছে হাইকোর্ট কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি টই 143 চিটফান্ড কোম্পানিকে নিয়ে যে সব মামলা দুই বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চে চলছে, তার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সপ্তাহে তিনদিন সকাল সাড়ে দশটা থেকে চারটে পর্যন্ত শুনানির ব্যবস্থা করার দাবিও জানানো হয়েছে হাইকোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে বিচারাধীন বিষয় বলে এই দাবিপত্রের বিষয়গুলি নিয়ে হাইকোর্টে পৃথক আবেদন বা পিটিশন করার পরামর্শ দিয়েছে তারা। আমরা আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে সেই মতো শীঘ্রই পদক্ষেপ করব।
এদিনের সমাবেশে বক্তাদের মুল বিষয় প্রতারিত দের অর্থ ফেরতের প্রসঙ্গ।
এবং রাজ্য ও কেন্দ্র কে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ করলেন ।
যেসব আমানতকারীরা এখনও পর্যন্ত ধৈর্য হারা হয়ে এজেন্ট দের উপর হামলা বা গাল মন্দ করছেন বা যারা এইসব হামলা বা এজেন্ট দের উপর নির্যাতন করার জন্য উসকানি দিচ্ছে তাদের কে কোটের বার্তা পৌঁছেদিন । আপনারা ধৈর্য হারা হবেন না টাক ফেরত পাবেন একটু সময় দিয়ে পরবর্তী আন্দলনে সামিল হোন ।
বাস্তবে এই অর্থ লগ্নি কান্ডে গরিব এজেন্ট দের দোষই নয় ।
আমিও চাই ভারতের সমস্ত সরকার প্রতারিত দের মানুষ ভেবে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুক ।
  আর আপনারা কি চান   ?

বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

ভারতে এখনও শ্রী রামচন্দ্রের বংশধরেরা জীবত পড়ুন ।

ভারতীয় ইতিহাস যদি দেখা যায় ।
কৃষ্ণের মৃত্যুর পর দির্ঘ হিন্দু শাসন চলে । পরে
মুসলিম শাসনের পর, ইংরেজ দের গোলামির থেকে মুক্তি আসে 1947
তে , কিন্তু কিছু কিছু রাজ পরিবার এখনও
ভারত বর্ষে থেকে গেছে ।আজও রাজ তন্ত্র
পরিবারের মধ্যে নিয়মিত আচার পালন হচ্ছে ।
এদের মধ্যে এক রাজ পরিবারের দাবি তারা রামের বংশধর ।
জয় পুরে এক ইন্টারভিউ তে মহারানি পদ্মীনি দেবী বলেন আমি রামের ছেলে
কুশের বংশধর ।
আর আমার স্বামী আর জয়পুরের পুর্ব মহারাজ ভবানী সিংহ কুশের 309 নম্বর
বংশ, ছিল। 1912 -21 আগষ্টে মান সিংহের জন্ম ইনার তিনটে বিয়ে ছিল ।
যার প্রথম বিয়ে হয় 1924 12 বছর বয়সে যোধপুরের রাজা সুমের সিংহের বোন মরুধর কঁউর কে । মানসিংহের প্রমথ বউ
মতিজী কিশোর কঁউর, 1932 তে, এর পর
1940 শে ওনি গায়ত্রী দেবী কে তিনবারের বিয়ে করেন ।মহারাজা মানসিংহের প্রমথ স্ত্রীর মরুধর কঁউর ছেলে ভবানী সিংহের সাথে পদ্মীনি দেবীর বিয়ে হয়েছে ।ওনার একটি মাত্র কন্যা দীয়া কুমারী যার বিয়ে নরেন্দ্র সিংহের সঙ্গে হয়েছে, ওনার দুই ছেলে পদ্মনাভ, লক্ষ্যরাজ সিংহ, এক কন্যা গৌরবি সিংহ ।
দিয়া বর্তমানে জয়পুরের বিজেপি বিধায়ক ।মহারাজা ব্রিগেডিয়ার ভবানী সিংহের কোনও ছেলে ছিলনা ।ওনি 2002 তে নিজের মেয়ের দীয়াকুমারীর
কন্যা কে দত্তক নেন ।ভবানী সিংহের মৃত্যুর পর 2011 তে পদ্মনাভের রাজতিলক হয় ।আর ছোট্ট ছেলে লক্ষণ রাজ 2013 তে রাজগদিতে বসে ।
যেখানে ভারতে রাজতন্ত্র বন্ধ হওয়ার পরেও কিন্তু এই পরিবারের নিয়ম আগের মতই আছে এখনও ।
মহারানি পদ্মীনি প্রায়সই শহরে ছোটোবড়ো অনুষ্ঠানে চিপগেষ্ট হয়ে আসে।ওনার কন্যা দিয়া কুমারি মাধোপুরে এমএলএ আছে ।বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজস্থানে মাঝে মাঝে এনাকে দেখা যায়। দিয়া কুমারির ছেলে জয়পুরের রাজা পদ্মনাভ ভারতের পোলো টিমের প্লেয়ার, এদের পরিবার কে জয়পুরের রাঁয়ল পার্টিতে মাঝে মাঝে দেখা যায় ।
গায়ত্রী দেবীর ছেলে জগত সিংহ থাইল্যান্ডের রাজকুমারি প্রিয়নঁদনা রঁগসিন কে বিয়ে করে ।দেবরাজ এবং লালিত্য এদেরই সন্তান ।বেশ কয়েক বছর
পরে, দাম্পত্য জীবনে সম্যসার জন্য আলাদা হয়ে যায় ।রাজকুমারি প্রিয়নঁদনা ছেলে দেবরাজ এবং কন্যা লালিত্যা কে সঙ্গে নিয়ে থাইল্যান্ডে ফিরে যায় ।
জগত সিংহের 1997 সালে মৃত্যু হয় ।

ভারতে এখনও শ্রী রামচন্দ্রের বংশধরেরা জীবত পড়ুন ।

ভারতীয় ইতিহাস যদি দেখা যায় ।
কৃষ্ণের মৃত্যুর পর দির্ঘ হিন্দু শাসন চলে । পরে
মুসলিম শাসনের পর, ইংরেজ দের গোলামির থেকে মুক্তি আসে 1947
তে , কিন্তু কিছু কিছু রাজ পরিবার এখনও
ভারত বর্ষে থেকে গেছে ।আজও রাজ তন্ত্র
পরিবারের মধ্যে নিয়মিত আচার পালন হচ্ছে ।
এদের মধ্যে এক রাজ পরিবারের দাবি তারা রামের বংশধর ।
জয় পুরে এক ইন্টারভিউ তে মহারানি পদ্মীনি দেবী বলেন আমি রামের ছেলে
কুশের বংশধর ।
আর আমার স্বামী আর জয়পুরের পুর্ব মহারাজ ভবানী সিংহ কুশের 309 নম্বর
বংশ, ছিল। 1912 -21 আগষ্টে মান সিংহের জন্ম ইনার তিনটে বিয়ে ছিল ।
যার প্রথম বিয়ে হয় 1924 12 বছর বয়সে যোধপুরের রাজা সুমের সিংহের বোন মরুধর কঁউর কে । মানসিংহের প্রমথ বউ
মতিজী কিশোর কঁউর, 1932 তে, এর পর
1940 শে ওনি গায়ত্রী দেবী কে তিনবারের বিয়ে করেন ।মহারাজা মানসিংহের প্রমথ স্ত্রীর মরুধর কঁউর ছেলে ভবানী সিংহের সাথে পদ্মীনি দেবীর বিয়ে হয়েছে ।ওনার একটি মাত্র কন্যা দীয়া কুমারী যার বিয়ে নরেন্দ্র সিংহের সঙ্গে হয়েছে, ওনার দুই ছেলে পদ্মনাভ, লক্ষ্যরাজ সিংহ, এক কন্যা গৌরবি সিংহ ।
দিয়া বর্তমানে জয়পুরের বিজেপি বিধায়ক ।মহারাজা ব্রিগেডিয়ার ভবানী সিংহের কোনও ছেলে ছিলনা ।ওনি 2002 তে নিজের মেয়ের দীয়াকুমারীর
কন্যা কে দত্তক নেন ।ভবানী সিংহের মৃত্যুর পর 2011 তে পদ্মনাভের রাজতিলক হয় ।আর ছোট্ট ছেলে লক্ষণ রাজ 2013 তে রাজগদিতে বসে ।
যেখানে ভারতে রাজতন্ত্র বন্ধ হওয়ার পরেও কিন্তু এই পরিবারের নিয়ম আগের মতই আছে এখনও ।
মহারানি পদ্মীনি প্রায়সই শহরে ছোটোবড়ো অনুষ্ঠানে চিপগেষ্ট হয়ে আসে।ওনার কন্যা দিয়া কুমারি মাধোপুরে এমএলএ আছে ।বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজস্থানে মাঝে মাঝে এনাকে দেখা যায়। দিয়া কুমারির ছেলে জয়পুরের রাজা পদ্মনাভ ভারতের পোলো টিমের প্লেয়ার, এদের পরিবার কে জয়পুরের রাঁয়ল পার্টিতে মাঝে মাঝে দেখা যায় ।
গায়ত্রী দেবীর ছেলে জগত সিংহ থাইল্যান্ডের রাজকুমারি প্রিয়নঁদনা রঁগসিন কে বিয়ে করে ।দেবরাজ এবং লালিত্য এদেরই সন্তান ।বেশ কয়েক বছর
পরে, দাম্পত্য জীবনে সম্যসার জন্য আলাদা হয়ে যায় ।রাজকুমারি প্রিয়নঁদনা ছেলে দেবরাজ এবং কন্যা লালিত্যা কে সঙ্গে নিয়ে থাইল্যান্ডে ফিরে যায় ।
জগত সিংহের 1997 সালে মৃত্যু হয় ।

রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৭

কাঁকড়া বিছে বোলতা মৌমাছির হাত থেকে মুক্তি মাত্র আধা ঘন্টায় এক টাকায় পড়ুন,

প্রায়সই মানুষের মধ্যে আতংক তৈরি হয়
বিছে, বোলতা, মৌমাছি, ভিমরুল এইসমস্ত বিষাক্ত পোকাতে হুল ফোটালে মারাত্মক যন্ত্রণা ছাড়াও বিভিন্ন শারীরিক উত্সর্গ দেখা যায় , যেমন কাঁকড়া বিছে কামড় দিলে ,
পেশি যন্ত্রণা
চোখ মুখ ঘাড় যন্ত্রণা
প্রস্রাব পায়খানার সমস্যা
বোমি মুখে ফেনাও আসতে পারে
শ্বাস প্রশ্বাসের অসুবিধা
এলার্জী ঘাম হবে ।
এদের বিষাক্ত দংশন থেকে জালা যন্ত্রণা
থেকে তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে Silicea 200 , এই ওষুধ মাটি থেকে তৈরি হয় নদির কুল থেকে বালিমাটির থেকে ।
এই ওষুধ 10 মিনিট অন্তর এক ফোঁটা করে
তিন বার জিভে ফেলে খাওয়া তে হবে,
দশ মিনিট অন্তর এক ফোঁটা করে মোট তিন বার ।
আধ ঘন্টার মধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠবে রোগী
অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত,
Silicea 200 , হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকানে মাত্র দশ টাকার চাইলে দেবে ।

শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০১৭

চুলকাটা ভূত কিছু কিছু রাজ্যে এখন এটাই আতংক জানুন সত্য

কয়েক দিন ধরেই আতংক ছড়াচ্ছে ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে ,
মেয়েদের মাথার চুল কেটে নিচ্ছে এবং অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে , পুলিশ খুঁজেই পাচ্ছে না অপরাধীদের,
তবে কিছু জায়গা থেকে খবর এসছে ।
চায়না পোকা চুল কেটে খাচ্ছে ,পোকা গুলো হাওয়ায় উড়ে এসে মেয়েদের মাথার চুলে বসে হুল বা কামড় দিলেই
মেয়েরা জ্ঞান হারাচ্ছে , জ্ঞান ফিরলেই
দেখছে চুল কাটা ।হঠাত্ করে এই কাজ
হচ্ছে,
মনে হচ্ছে কোনও ভুত বা কোনও অলৌকিক শক্তিই করছে ।তবে এ বিষয়ে আরও খোঁজ খবর চলছে ।
বর্তমান যুগে এইসব বিষয়ে ভুতের ভয় পাওয়ার কোনও কারনই নেই ।

রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৭

আবেদন যাত্রা চিটফান্ডে গরিব আমানত কারিদের উচ্চ আদালতের পথে

চিটফান্ডকাণ্ডের কোটি কোটি চরম দুর্দশা গ্রস্ত গরিব এজেন্ট গরিব আমানত কারিরা আদালতের কাছে বিচার চাইবার পরিকল্পনা নিয়েছে। কয়েক কোটি প্রতারিত মানুষ মিছিল করার পর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে দরবার করবেন। এরজন্য প্রধান বিচারপতির কাছে আগাম চিঠিও দিয়েছে , এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘আবেদন যাত্রা’। 
চিটফান্ড সুরক্ষা মঞ্চের এই উদ্যোগে আগামী ২২ আগস্ট। পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের ১৯টি রাজ্য থেকে চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে প্রতারিত লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ ওইদিন শহরে জড়ো হবেন। তাঁরা শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশন থেকে দুটি বড় মিছিল করে এসে প্রথমে ধর্মতলার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হবেন। তারপর সেখানে হবে জনসভা। সেই সভার শেষে চারজনের এক প্রতিনিধিদল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রে’র কাছে গিয়ে কড়জোড়ে মিনতি করে বেঁচে থাকার বিচার চাইবেন। এজন্য প্রধান বিচারপতির কাছে সংগঠনের তরফে কিছুদিন আগে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে না জানলেও হাইকোর্ট সূত্রে উদ্যোক্তারা খবর পেয়েছেন, এত মানুষের সমস্যার কথা বিবেচনা করে প্রধান বিচারপতি হয়তো তাঁদের মুখোমুখি সাক্ষাতের জন্য কিছুক্ষণ সময় দিতে পারেন। তবে পুলিশের কথা ভেবে উদ্যোক্তারা এই কর্মসূচি নিয়ে এখনই শোরগোল তুলতে চায় না। কলকাতা পুলিশ শেষ পর্যন্ত তাঁদের এই কর্মসূচি নিয়ে বেঁকে বসবে কি না, তা এখনও টের পাননি তাঁরা। প্রতারিতদের গচ্ছিত অর্থ ফেরতের উপায় নিয়ে এক অভিনব প্রস্তাব। সেই প্রস্তাব কার্যকর করার ক্ষমতা একমাত্র আদালতেরই আছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। এজন্য তাঁরা বিভিন্ন রাজ্যের ভুক্তভোগী মানুষকে জড়ো করে কার্যত প্রধান বিচারপতির বিবেচনা প্রার্থনা করবেন। দরবারের সময় তাঁর সবুজ সংকেত পেলে পরবর্তীকালে সংগঠনের তরফে আদালতে আবেদন জানাবেন তাঁরা। প্রস্তাবটি হল, দেশের যে সব চিটফান্ড সংস্থার বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বা রাজ্যের এজেন্সিগুলি বছরের পর বছর ধরে তদন্ত চালাচ্ছে, তাদের বাজেয়াপ্ত হওয়া যাবতীয় সম্পত্তি হাইকোর্টের অভিভাবকত্বে ৭০ শতাংশ কেন্দ্র ও ৩০ শতাংশ রাজ্য সরকার চলতি বাজারদরে কিনে নিক। এই অর্থ হাইকোর্টের কাছে জমা দেওয়ার পর তা উচ্চ আদালতে নিযুক্ত কমিটির মাধ্যমে আমানতকারীদের ফিরিয়ে দেওয়া হোক। তদন্ত বা বিচার চলার পাশাপাশি এই টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করুক—প্রধান বিচারপতির কাছে এমনটাই আরজি জানাতে চান উদ্যোক্তারা। এই দাবির পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত তিনদিন চিটফান্ড মামলাগুলির শুনানি এবং এই প্রতারণার কারণে হতাশায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়া ১৬৩ জন আমানতকারী ও এজেন্টের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণের আবেদনও তাঁরা জানাতে চান হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে। 
কেন তাঁরা এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিলেন, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সুরক্ষা মঞ্চের সম্পাদক সুবীর দে বলেন, মামলার দীর্ঘ সময়ের কারনে গোটা দেশে এই বিশাল কেলেঙ্কারিতে ভুক্তভোগী কোটি কোটি মানুষ। তাঁদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে। সেই কারণেই সেদিন রোজভ্যালি কোম্পানির হোটেল ভাঙচুর হয়েছে। আমরা এই ধরনের আইন হাতে তুলে নেওয়ার পক্ষপাতী নই। কিন্তু আইনের মাধ্যমে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ সুরাহা পান, সেজন্য কেন্দ্র বা রাজ্যের সরকারগুলি সেভাবে আগ্রহী নয় বলেই আমাদের মনে হয়েছে। তাই আমাদের একমাত্র ভরসার জায়গা আদালত। বিচার ব্যবস্থাই একমাত্র পারে এই সমস্যার সমাধান করতে। সর্বোপরি, বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তি বিক্রি করতে গিয়ে কোর্ট নিযুক্ত কমিশনও উপযুক্ত দাম পাচ্ছে না বলে শুনছি। এই সব বিষয়গুলি মাথায় রেখেই আমরা প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হতে চাইছে ।
এই ফ্রমের চিত্র গুলো প্রিন্ট আউট করতে পারেন ।

এই সিদ্ধান্ত কি সঠিক হবে আপনাদের মত কি  ?

শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০১৭

গো হত্যার অভিশাপ ই ইন্দ্রা গান্ধী (খানের) মৃত্যুর কারন কে দিয়েছিল শাপ পড়ুন ,

পৃথিবীর পুণ্য ভূমি, স্বর্গ ভূমি,এই ভারত বর্ষ ।
এখানে দেবতাদের বাস বলে মানা হয় ।
আদি মুনিঋষিদের অভিশাপ সত্য ই ছিল হতো ।
সাল টি ছিল 1966 তখন ভোটে জেতার জন্য কৃপাত্রী মহারাজের কাছে ইন্দ্রা খান (গান্ধী) আশীর্বাদ চাইতে যান ।
কৃপাত্রী জী ইন্দ্রাকে বললেন আশীর্বাদ দিতে পারি কথা দাও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর,  ভারতীয় সমস্ত গো হত্যার কসাই খানা এবং গো হত্যা বন্দ করতে হবে ।
তত্কালীন ভোটে জেতার লোভে কৃপাত্রী মহারাজের কাছে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হন ইন্দ্রা, ভোটে জেতার আশীর্বাদ ও দেন কৃপাত্রী জী ।
কিন্তু নেহরু বা গান্ধী বংশের রক্তেই ছিল না কথা রাখার,
যেখানে ভোটের আগে 15000 গো হত্যা হতো ইন্দ্রা ভোটে জেতার পর গো হত্যা বেড়ে দাঁড়ায় 60 হাজার ।
কৃপাত্রী জি প্রায় এক লক্ষ মুনিঋষিদের নিয়ে সংসদ ভবনের সামনে আন্দলন করেন দাবি করেন অবিলম্বে গো হত্যা বন্দ করতে হবে , কিন্তু হায় বেইমানি যাদের রক্তে , তারা কি শোনে সাধুর বচন
ওইদিন ছিল গোপাঅষ্টমি ইন্দ্রার নির্দেশে
হাজার হাজার সাধু সন্ন্যসী দের উপর নৃশংষ ভাবে বুকে ও মাথায় গুলি চালনোর নির্দেশ দেন মিথ্যা বাদী ইন্দ্রা ।
ওই দিন কৃপাত্রী জী ইন্দ্রাকে শাপ দিয়ে দেন, বলেন যে ভাবে তুই আমাদের উপর গুলি চালিয়ে মারলি ,
ঠিক একিই ভাবে তোকে ও মরতে হবে ।
এবং একদিন নৃশংষ গোহত্যা কারিরা পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ।
বাস্তবে যেইদিন ইন্দ্রাকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় ওই দিন টি ও ছিল গোপা অষ্টমী ।

তাহলে পাঠক জী  আপনার কি মত অভিশাপেই কি এই ভাবে মৃত্যু হলো  ?

শুক্রবার, ২৬ মে, ২০১৭

ইন্দিরার আমলে ও গো হত্যা বন্ধের আন্দলন শুরু হয়েছিল কি নৃশংষ ভাবে আনন্দোলন কারিদের দমন করেছিল পড়ুন,

1966 সালে গোহত্যা বন্ধের আন্দলোন করার জন্য হাজার হাজার সাধু সন্ন্যাসিদের, ইন্দ্রাগাঁধী (খান) নির্দেশে নৃশংষ ভাবে গুলি করে মেরে ছিল, সেই ইতিহাস চাপিয়ে রাখা হয়েছিল ।পড়ুন হিন্দু বিরোধী ইন্দিরা মন্ত্রী থাকায় নৃশংষ কথা,
ইন্দিরার সরকার প্রথম থেকেই হিন্দু ধর্ম হিন্দু দের পছন্দ করতো না , তবে সামনা সামনি বিরোধিতা করতো না পিছন দিয়ে ছুরি মারত হিন্দু দের , গো রক্ষা মহাঅভিজান সমিতির ততকালিন মন্ত্রীদের মধ্যে একজন পুরো ঘটনার ইতিহাস এবং লেখক আচার্য সোহনলাল রামরংঙের মতে 7 নভেম্বর 1966 সালে সকাল আঠ টার সময় থেকে সংসদের বাইরে লোকজন জমা হতে শুরু করে ওই সময় কার্তিক মাস শুক্ল পক্ষ অষ্টমী তিথি ছিল, গোপাঅষ্টমি নামে পরিচিত, গো রক্ষা সমিতির সঞ্চালক সনাতন করপাত্র মহারাজ সত্যাগ্রহ আন্দলন শুরু করেছিল। করপাত্র মহারাজের নেতৃত্বে জগন্নাথ পুরি, যোতীষপিঠ, দারকা পিঠের শংকরাচার্য, বল্লভ সম্প্রদায় , রামানুজ সম্প্রদায়,মধ্য সম্প্রদায়,রামানন্দ আচার্য, আর্য সমাজ, নাথ সম্প্রদায়, জৈন, শিখ, বৌদ্ধ, আরও হাজারো সম্প্রদায়,নাগা সন্যাসি,পন্ডিত লক্ষিনারায়ণ জি , চন্দন তিলক লাগিয়ে সবাই কে , লাল কেল্লা মাঠের থেকে আরম্ভ করে পাবড়ি বাজার হয়ে পটেল চেকের পাশ হয়ে সংসদ ভবনে যাওয়ার জন্য এই বিশাল মিছিল হেঁটে যাওয়া আরম্ভ করে ,রাস্তায় উপর মানুষ ফুল বৃষ্টি করেছিল।প্রতিটা অলি গোলি ফুলের বিছানা হয়েছিল, আর্চায সোহনলাল রামরংঙের মতে এ হিন্দু সমাজের সব থেকে বড়ো ইতিহাসিক দিন ছিল, দিল্লির পুরো জায়গায় লোক ভর্তি ছিল, সংসদভবন থেকে চাঁদনি চক পর্যন্ত,মাথা আর মাথা, দেখাযাচছিল, 10 লক্ষ মানুষ তার মধ্যে মেয়েরা 20 হাজার মতো জড়ো হয়েছিল,এদের দাবি ছিল সারা ভারত বর্ষে গো হত্যা বন্ধ করার আইন করতে হবে , কিন্তু সেদিন ইন্দিরা খান এই ভারতীয় হিন্দু দের কথায় কান দেয়নি , উল্টে হাজার হাজার বন্দুক ধারি পুলিশ দিয়ে সেদিন সংসদ ভবনের বাইরে ভিড়ের উপর এলোপাতাড়ি গুলি করে আনুমানিক 10 হাজার সাধু সননাসি দের নৃশংষ ভাবে গুলি করে হত্যা করে। যারা আহত এবং যাদের শরিরের মধ্যে অল্প প্রানের স্পন্দন ছিল তাদের কেও নিহতদের সঙ্গে লরিতে নিয়ে গিয়ে মাটিতে পুঁতে দেয় নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয় ।লোক প্রকাশে বলা হয় দশ বিশজন মারা গেছে ,1 লক্ষ মানুষ কে জেলে ভরা হয় ' শুধু শংকরাচার্যকে ছেড়ে দেয় মুসলিম ইন্দিরা খান গানধি ।জেলের ভেতর ঠাণ্ডার জন্য উলংগ নাগা সন্যাসিরা জেলের জানালা দরজা ভেঙে আগুন পোহাতে থাকলে , পরে কয়েক লরি কাঠ জালানি নিয়ে আসে জেল কতৃপক্ষ। পরে এই কাল নাগিনি ইন্দিরা সম্পূর্ণ নির্দোষিকে দোষী বানিয়ে পদত্যাগ করানো হয় গুলজারলাল গৃহ মন্ত্রী কে , কিন্তু এই গৃহ মন্ত্রী গো রক্ষার পক্ষেই ছিল, ইন্দিরা নিজের দোষ ঢাকতে গৃহ মন্ত্রী কে পদত্যাগ করানো হয়,পরবর্তী কালে কোনও দিন এই গৃহ মন্ত্রী কে কোনও পদে বসায়নি । আর একমাস পর বন্দি দের ছেড়ে দেয় হিন্দু দের প্রবল চাপে পড়ে । সেই দিন সাধু সন্তদের ভাষন ছিল এই কংগ্রেস সরকার বাইরের সরকার, এদের মন্ত্রী থাকার আর নেই দরকার,সংসদ ভবনের ভিতর থেকে বের করে নিয়ে আসো দেশদ্রোহিদের। কিন্তু পদ লোভী বেইমান মুসলিম ইন্দিরা হিন্দু দের উপর এভাবে অত্যাচার চালিয়েছিল, কিন্তু এই ইতিহাস এখন কার যুবকরা জানেই না , এই রকম কতশত হিন্দু নির্যাতনের ইতিহাস দাবিয়ে রাখা হয়েছে কংগ্রেসের লাল চোখ দেখিয়ে , তখন থেকে আজ পর্যন্ত গো হত্যার বিরুদ্ধে আন্দলোন চলছে ,আমি ব্যথিত, মর্মাহত, এই লেখাটি হিন্দি সংস্করণ, যদি কেউ হিন্দিতে পোস্ট চান দেব ।
জয় হিন্দু ।

A