728.90

১৮ অক্টো, ২০২৬

বামপন্থী কবিতা আলতাকিয়া

মুখেতে কংগ্রেস,বামপন্থীর মুখোশ, বুকের ভেতর নাচে ইসলাম।

মূর্তির পূজারী হিন্দু বিরোধী হয়েও তোরা নিজ পেট চালাতে মূর্তি পুজাতে দিবি বই দোকান ? 

ধিক ধিক ধিক্কার, একদিন দুর্গা তোদের বধ করবে, করবেই; শুনে রাখ মুখোশধারী আরবি শয়তান।

কোনো ইসলাম দেশে কংগ্রেস বামপন্থীর হয় না ঠাঁই ।
তোরা শুধু অমুসলিম দেশ দখল নিতে করিস আল তাকাই ???

২৫ সেপ, ২০২৬

Tiranjan Khatua

তিরঞ্জন খাটুয়া

ইনি একজন পুরুষ
 তিনার বাবা-মার নামের অক্ষর মিলিয়ে এনার নাম একটি বিতর্কিত তিরঞ্জন খাটুয়া নাম রেখেছেন।

পিতা মনোরঞ্জন ।
মাতা আরতি রানী খাটুয়া মান্না।
 ইনার দুই ভাই এক বোন ।
তিনার আনুমানিক ছয় থেকে ৭ বছরের মধ্যে মাতৃ বিয়োগ হয়। 
ইনার মাতৃ বিয়োগের সময় ইনি ক্লাস ওয়ান এর সান্মাসিক পরীক্ষা দিচ্ছিল ।

পরে তার মায়ের শ্রাদ্ধ শান্তির পর মেদিনীপুর নন্দীগ্রাম হরিপুরে স্কুলে ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা করেন অবশ্য সেখানে গিয়েই যেহেতু শিশু অবস্থায় মনে ছিল না তাই তিনি ক্লাস থ্রিতে সরাসরি ভর্তি হয়ে যায়। 
পরে দেবীপুরে ভর্তি হয়েছিলেন কয়েকদিন ক্লাস করার পরে আবার সুন্দরবনের ডাক্তার বি সি রায় মেমোরিয়াল বিদ্যাপীঠে কয়েক বছর পড়াশোনা করেন। 

শোনা যায় ইনি, সুন্দরবন মেদিনীপুর মিলিয়ে বিভিন্ন ইপি স্কুল এবং হাই স্কুল মিলিয়ে প্রায় আটটিরও বেশি স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু স্কুল ডিগ্রি খুবই কম তা সত্ত্বেও ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা।
 কোরআন ,বাইবেল ,ত্রিপিটক ,গীতা ,রামায়ণ-মহাভারত ,চাণক্য নীতি, অ্যাস্ট্রোলজি, সামুদ্রিক শাস্ত্র, খনার বচন, কোক শাস্ত্র ,এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বনামধন্য গ্রন্থ গুলি অধ্যায়ন করেছিলেন।

 যেমন পারস্য উপন্যাস আরব্য উপন্যাস গ্রিস ফ্রান্স ইংল্যান্ড আমেরিকা জাপান আরো ইত্যাদি স্বনামধন্য রাষ্ট্রগুলির বই ও ইনি অধ্যয়ন করেছেন।
 তিনি কম্পিউটারে বেসিক ট্রেনিং দিয়েছেন ইনি হস্তরেখা ছাড়াও বিভিন্ন আইনি বই এবং ভারতের স্বামী বিবেকানন্দ বিদ্যাসাগর রবীন্দ্রনাথ ইত্যাদি মানুষদেরও চরিত্রের বিষয়ে বইগুলি পড়াশোনা করেছেন। 

এসবই প্রাইভেটে করেছিলেন তিনি জুয়েলারি বিদ্যায় পারদর্শী হয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর বিজনেস করেছেন তিনি মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যাটারি ঘড়ি দেওয়াল ঘড়ি হাত ঘড়ি রিপেয়ারিং কৃষি কাজ নাগরদোলা বেলুন শুটিংয়ের ব*ন্দুক সারাই ছাড়াই বিভিন্ন কাজে পারদর্শী ছিলেন।

 তিনি একজন হাস্যরসিক রোমান্টিক মানুষ ছিলেন ইনি ছোটবেলাতে অনেক নিজে নাটক লিখেছেন এবং বাচ্চাদের মাঝে নাটক তৈরি করতেন হাস্যকৌতুক লিখতেন এবং কয়েকটি সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠানে তা জনসাধারণের সামনে স্টেজের মধ্যে কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে খুব সুন্দর হাস্যকৌতুক উপস্থাপন করেছেন যা তখন মানুষের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল আনন্দ দিয়েছিল।

 ইনার সাহস অপরিসীম তিনি সুন্দরবনের জঙ্গল থেকে জলে এবং পাহাড় থেকে সমতলে ছোটবেলা থেকে বড় অবস্থাতেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনার সাহসের লোকো কথা শোনা যায় ।
ইনার দুই পুত্র ।

২০ সেপ, ২০২৬

Manoranjan Khatua kplot

মনোরঞ্জন খাটুয়া, কেপ্লট

মনোনয়ন খাটুয়া ইনার আদি বাড়ি 
পূর্ব মেদিনীপুর 
গ্রাম তাজপুর 
পোস্ট হরিপুর 
থানা নন্দীগ্রাম 
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ 
রাষ্ট্র ভারতবর্ষ 
ইনার পাঁচ ভাই দুই বোন 
এনার পিতার নাম নিরাপদ খাটুয়া। মাতা শান্তবালা।
 ইনার বাবার দুই ভাই ছিল ।
ইনি কর্মক্ষেত্রে অনেক রকমের কর্ম করতেন যেমন রাজমিস্ত্রি ছুতার মিস্ত্রি একজন দক্ষ কারিগর ছিল।

 ব্যবসা অনেক রকম করতেন। যেমন সুন্দরবনে পাথরপ্রতিমা থানার অন্তর্গত অচিন্তনগর কে প্লট ব দ্বীপে তিনি দীর্ঘদিন বসবাস এবং ব্যবসা করেছেন।

 ইনার ব্যবসা গুলো ছিল মাইক জেনারেটর ডেকোরেটর ক্যাটারিং এর মালপত্র।
 মূর্তি প্রতিমা গড়তে জানতেন রাজমিস্ত্রি কাজের ভালো মন্দির এবং রথ কাঠের জগন্নাথ সুভদ্রা বলরাম নিম কাঠের তৈরি করতে পারতেন এবং করেছেন।
ইনি ১৬ থেকে ১৭ এইরকম বয়সে হলদিয়াতেও কিছুদিন একটি ইলেকট্রিক কারখানায় কাজ করতেন ইনার শিক্ষাগত যোগ্যতা ক্লাস এইট পর্যন্ত ইনি হরিপুরের স্কুলে পড়াশোনা করেছেন
দেবীপুরেও পড়াশোনা করেছেন ।

ইনার বাবা গরিব লোক ছিল ওনার বাবা তাঁতের শাড়ি বুনতেন ইনি আর ইনার বড় ভাই কে প্লটে থেকে বাড়ি ঘর করে বসবাস করেন এবং তিনি পাশের দ্বীপে এল প্লটের গুণধর মান্নার এক কন্যা আরতী রানী খাটুয়া মান্নাকে বিবাহ করেন  ইনার স্ত্রী প্রায় আনুমানিক ২৮ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে মারা যান তিনার প্রথম পক্ষে মোট তিনজন কন্যা দুই পুত্র জন্মেছিল পরে দুই কন্যা জন্মের অল্প বয়সেই মারা যায় জীবিত দুই পুত্র এক কন্যা বর্তমান।
তিনি বিভিন্ন জায়গায় শিব মন্দির বা অন্য বিভিন্ন রকমের মন্দির তৈরীর ভালো মিস্ত্রি ছিলেন এবং সুন্দরবনের ব-দ্বীপে বা মেদিনীপুরের কিছু জায়গায় রাস্তার পাশে বসার জন্য ইটের ছোটখাটো একটি করে ব্রেঞ্চ তৈরি করে দিতেন অবশ্য সেখানে লেখা থাকতো দাতা মনোরঞ্জন খাটুয়া ।
এরকম প্রায় কয়েক হাজার বেঞ্চ ইনি দান করেছিলেন।
ইনি সিপিএমের কর্মী ছিলেন পরে তৃণমূল আসার পরে রাজনীতি ছেড়ে দেন এবং তার নিজেও ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন কর্ম কাজেই মন দেন। 

ইনি দীর্ঘদিন প্রায় ২৫-৩০ বছর বেশি বছর ধরে সুগার রোগে আক্রান্ত।
ইনি ছোটবেলা থেকেই সংসারের খরচ থেকে শুরু করে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ফিস্ট ব্যবসা এইসব খাতা মেন্টেন্স করতেন এবং নিজ হাতে ভালো করে লিখতে জানতেন বাংলাতে। 

কবিতা ও লিখতেন। ইনি কে প্লটে থাকার সময় প্রথমে স্টেশনারি মনহারি দোকান করেছিলেন কিছুদিন স্কুলে স্কুলে বইয়ের ব্যবসা করতেন দীর্ঘদিন শঙ্খ এবং হাতের শাখা দোকানদার হিসেবে পরিচিতি ছিল ইনি দেখতে সুন্দর ছিলেন।

 সে কারণে অবিবাহিত এবং বিবাহের পরেও অনেক মেয়েদের মন জিতে নিতেন। সহজে অবশ্য
এ নিয়ে সেরকম কোন পরকীয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসেনি।

 ইনার জীবদ্দশায পরবর্তীকালে ইনার বড় ছেলে কেপলট পুলের বাজারের মধ্যে ইনারি একটি দোকানে স্বর্ণ দোকান মানে জুয়েলার্স ব্যবসা দীর্ঘ 25-30 বছর করেছিলেন ইনার কন্যা নার্সিং ট্রেনিং নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ডাক্তারি পেশায় যুক্ত হয়েছেন এবং সুনাম অর্জন করেছিলেন ।

এনার আরেকটি পুত্র সেবিকের কাজও করেছেন।

উনি কে প্লটে একটি মনোরঞ্জন মিনি পার্ক তৈরি করেছেন যা google এ সার্চ করলে মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কে প্লট নামে উপস্থিত হয়। 

ইনার ছোটবেলা থেকে ফুলবাগানের শখ ছিল বিভিন্ন রকম ফুলের গাছ লাগাতেন বাড়িতে। যা এলাকায় থাকত না উনি শহর থেকে কিনে আনতেন।
 কে প্লট একটি প্রান্তিক গ্রাম অনুন্নত সেখানে অনেক বছর আগে থেকেই পায়খানার এবং বাড়িতে ইলেকট্রিক বা আসবাবপত্র অনেক আধুনিক অনেক এডভান্স তিনি তৈরি করতেন নিজ হাতে।
 যা মানুষের কাছে বিস্ময় ছিল ।
ইনার মন-মানসিকতা আবিষ্কারক ধরনের ছিল।


৫ নভে, ২০২৫

ওল ফল

ওল ফল

ওল ফল, এটি দুষ্প্রাপ্য ফল ,
এটি হাতেগুনা মাত্র কয়েকজন ব্যক্তি দেখেছে চোখে ।

কারণ আমাদের একটি সুস্বাদু খাবার যা মাটির নিচে গাছের হয় তা আমরা খাই তাকে ওল বলি।

 ওল ফুল হয় অনেকে দেখেছেন। কিন্তু ওর ফল সেভাবে সেরকম লোকেরা দেখেছে বলে মনে হয় না ।
যদি দেখে থাকেন আপনারা কমেন্টে জানাবেন।
ওল গাছ লাগালে প্রায় একই স্থানে ওই ওলটি যদি পরপর তিন থেকে চার বছর এক জায়গায় থাকে তা থেকে প্রথমে ফুল হয়। ফুল থেকে এক ধরনের পচা গন্ধ বেরোয় এবং একটি খয়েরী কালার এবং একটি অদ্ভুত কিংভুত কিমা কার সাইজের দেখতে হয়। 

তবে সমস্ত জাতের ওলে ফুল ফল হয় না ।
যেই ওল গুলোর মধ্যে ফুল হয় সেইগুলোর মধ্যে ফল হয়। 
ওল গাছে ফুল ধরার পর প্রায় এক বছর যাবত ফুলটা থেকে গিয়ে আস্তে আস্তে শুকনো হতে থাকে।
 তারপর সেখান থেকে এক ধরনের কাঁঠালের মত দেখতে বা কাকরোল টাইপের দেখতে এক ধরনের ফল হয় ।
এই ফলটি এক বছর যাবত থাকলে আস্তে আস্তে তার যে কাঁঠালের মত কাটাযুক্ত কুয়া গুলো হলুদ হতে থাকে ।

এরপর ওই কোয়াগুলো হালকা শুকনো করে বীজ হিসাবে ব্যবহার করা যায় ।

ছবি দেয়া থাকলে নিচের আপনারা দেখে নিন।
এই সম্বন্ধে আরও যদি আপনাদের অভিজ্ঞতা থাকে কমেন্ট বক্সে জানান ।

৮ সেপ, ২০২৫

মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কে প্লট সুন্দর বন

MANORANJAN Mini park Kplot 
মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কে প্লট
মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কেপ্লট এটির প্রথমে নাম ছিল।

 প্রথমে আরতি মিনি পার্ক মানে আরতি রানী মান্না
 খাটুয়া ।পিতা গুনাধর মান্না এলপ্লট । স্বামী মনোরঞ্জন খাটুয়া ।

উনি মৃত প্রায় আজ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ বছর আগে মারা গিয়েছিলেন তিনার স্মৃতির উদ্দেশ্যে তার স্বামী মনোরঞ্জন খাটুয়া। উনি হাতের কারিগরি রাজমিস্ত্রি বলতে গেলে অল ইন অল কাজকর্ম করে থাকেন উনার চিন্তা হল ভারতবর্ষ পশ্চিমবঙ্গ পাথরপ্রতিমা থানা ও অচন্তিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কে প্লট বদ্বীপে পশ্চিম শ্রীপতিনগরে কেলেন পাড়ের রাস্তার ধারে।

 বর্তমান রথ পাড়ার অন্তর্গত রথ মাসির বাড়ি যেখানে এসে থামে সেখানে একটি পার্ক তৈরি করবেন বাচ্চারা এখানে কেজি স্কুলে পড়াশোনা করবে এবং পার্কে আনন্দ উপভোগ করবে এবং বড়রাও বেড়াতে আসবে সেই চিন্তা ধারা নিয়ে আর কি তৈরি করেছে এর ভিডিও দেখতে হলে লিংকে ক্লিক করে দেখতে পারেন ইউটিউবে। 

সরাসরি কেপ্লট  দিপে সুন্দরবনে বেড়াতে যেতে পারেন ।

এই পার্কটির উন্নয়নের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন ইমেইল আইডি Tiranjankhatua@gmail.com 

 বা ওখানে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে লিংক ক্লিক পার্ক ভিডিও
ম্যাপ লোকেশন 

২৯ আগ, ২০২৫

game app ends chitfund mony return apps

গেম অ্যাপ

বিভিন্ন ধরনের গেম অ্যাপ যা পয়সা লাগে না শুধু খেলে মজা নিতে পারেন এইসব গেমগুলো আপলোড করে বাচ্চারা খেলতে পারে বাড়িতে।

 খুবই কম এমবির এবং কোন টাকা দিতে হয় না এখানে শুধু মজা নিতে হয়। 
আপনার খুবই সহজ গেম গুলো খেলতে খুব সুন্দর লাগে। 
খুব নেশাও ধরে না অল্প সময়ে খেলার পর মন ভরে যায় বিরক্তিকর নয় গেমগুলো। 

এবং চিটফান্ড কোম্পানির যদি টাকা পেতে চান আবেদন করার জন্য এবং আবেদন করেছেন স্ট্যাটাস চেক করার জন্য অ্যাপসগুলি আছে আপনি লিংকগুলোতে লেখা আছে সেই লিংকে আপনার কোন অ্যাপসটি লাগবে এগুলোর নাম দেখে ক্লিক করে ইন্সটল করবেন ।

এই অ্যাপগুলো এপিকে ফাইল এগুলো প্লে স্টোরে পাওয়া যায় না। এইগুলো ক্ষতিকরও নয়। আপনার মন চাইলে আপনি ইন্সটল করতে পারেন। ধন্যবাদ।

রোজভেলি বা সমস্ত চিট ফান্ড কোম্পানি টাকা ভারতের অ্যাপ

শুধু রোজভ্যালি টাকা ফেরত এর অ্যাপ

এটি প্রাইভেট অ্যাপ প্রসেসিং এ আছে, নতুন ভালো কিছু হতে পারে এই অ্যাপটিতে। লিংকটি ইন্সটল করে রাখতে পারেন।

২৮ আগ, ২০২৫

Shramashree app Downloads

শ্রমশ্রী অ্যাপ ডাউনলোড পাঁচ হাজার টাকা মাসে পেতে ।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মহাশয়া
 শ্রমশ্রী প্রকল্পে যারা পরিযায়ী শ্রমিকরা মাসে 5000 টাকা পেতে পারেন যারা যোগ্য সঠিকভাবে আবেদন করতে পারলে আপনি আরো বিভিন্ন রকমের সুবিধে পাবেন। 

তাই আপনার মোবাইল দিয়ে আপনি আবেদনটি করতে পারেন একটি অ্যাপ লঞ্চ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অ্যাপটি এখন প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে না নিচের লিংক আছে ক্লিক করে ইন্সটল করতে পারেন এবং আপনার মোবাইল দিয়ে আবেদন করতে পারেন।

 যারা কর্ম সাথী প্রকল্পে কর্ম সাথী প্রটালে আবেদন করেছিলেন তারা প্রথম অপশনে মোবাইল নাম্বারে ওটিপি দিয়ে আপনি বিভিন্ন রকম অপশন আছে পরে ঠিক করতে পারেন।

 অথবা যারা কোথাও আবেদন করেননি এর আগে নতুন তারা নিচের অপশনে নিউ রেজিস্ট্রেশনে ক্লিক করে সমস্ত কিছু ভালোভাবে পূরণ করে আবেদন করতে পারেন ।

নিচে লিঙ্ক দেয়া হলো এবং ফর্ম পূরণ করার বিষয় বিশদে জানতে যদি চান তাহলে কমেন্ট করবেন পরের ব্লগে জানিয়ে 
শ্রমশ্রী অ্যাপ click links sramasri app click links

বামপন্থী কবিতা আলতাকিয়া

মুখেতে কংগ্রেস,বামপন্থীর মুখোশ, বুকের ভেতর নাচে ইসলাম। মূর্তির পূজারী হিন্দু বিরোধী হয়েও তোরা নিজ পেট চালাতে মূর্তি পুজাতে দিবি বই দোকান ? ...