728.90

৫ নভে, ২০২৫

ওল ফল

ওল ফল

ওল ফল, এটি দুষ্প্রাপ্য ফল ,
এটি হাতেগুনা মাত্র কয়েকজন ব্যক্তি দেখেছে চোখে ।

কারণ আমাদের একটি সুস্বাদু খাবার যা মাটির নিচে গাছের হয় তা আমরা খাই তাকে ওল বলি।

 ওল ফুল হয় অনেকে দেখেছেন। কিন্তু ওর ফল সেভাবে সেরকম লোকেরা দেখেছে বলে মনে হয় না ।
যদি দেখে থাকেন আপনারা কমেন্টে জানাবেন।
ওল গাছ লাগালে প্রায় একই স্থানে ওই ওলটি যদি পরপর তিন থেকে চার বছর এক জায়গায় থাকে তা থেকে প্রথমে ফুল হয়। ফুল থেকে এক ধরনের পচা গন্ধ বেরোয় এবং একটি খয়েরী কালার এবং একটি অদ্ভুত কিংভুত কিমা কার সাইজের দেখতে হয়। 

তবে সমস্ত জাতের ওলে ফুল ফল হয় না ।
যেই ওল গুলোর মধ্যে ফুল হয় সেইগুলোর মধ্যে ফল হয়। 
ওল গাছে ফুল ধরার পর প্রায় এক বছর যাবত ফুলটা থেকে গিয়ে আস্তে আস্তে শুকনো হতে থাকে।
 তারপর সেখান থেকে এক ধরনের কাঁঠালের মত দেখতে বা কাকরোল টাইপের দেখতে এক ধরনের ফল হয় ।
এই ফলটি এক বছর যাবত থাকলে আস্তে আস্তে তার যে কাঁঠালের মত কাটাযুক্ত কুয়া গুলো হলুদ হতে থাকে ।

এরপর ওই কোয়াগুলো হালকা শুকনো করে বীজ হিসাবে ব্যবহার করা যায় ।

ছবি দেয়া থাকলে নিচের আপনারা দেখে নিন।
এই সম্বন্ধে আরও যদি আপনাদের অভিজ্ঞতা থাকে কমেন্ট বক্সে জানান ।

৮ সেপ, ২০২৫

মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কে প্লট সুন্দর বন

MANORANJAN Mini park Kplot 
মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কে প্লট
মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কেপ্লট এটির প্রথমে নাম ছিল।

 প্রথমে আরতি মিনি পার্ক মানে আরতি রানী মান্না
 খাটুয়া ।পিতা গুনাধর মান্না এলপ্লট । স্বামী মনোরঞ্জন খাটুয়া ।

উনি মৃত প্রায় আজ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ বছর আগে মারা গিয়েছিলেন তিনার স্মৃতির উদ্দেশ্যে তার স্বামী মনোরঞ্জন খাটুয়া। উনি হাতের কারিগরি রাজমিস্ত্রি বলতে গেলে অল ইন অল কাজকর্ম করে থাকেন উনার চিন্তা হল ভারতবর্ষ পশ্চিমবঙ্গ পাথরপ্রতিমা থানা ও অচন্তিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কে প্লট বদ্বীপে পশ্চিম শ্রীপতিনগরে কেলেন পাড়ের রাস্তার ধারে।

 বর্তমান রথ পাড়ার অন্তর্গত রথ মাসির বাড়ি যেখানে এসে থামে সেখানে একটি পার্ক তৈরি করবেন বাচ্চারা এখানে কেজি স্কুলে পড়াশোনা করবে এবং পার্কে আনন্দ উপভোগ করবে এবং বড়রাও বেড়াতে আসবে সেই চিন্তা ধারা নিয়ে আর কি তৈরি করেছে এর ভিডিও দেখতে হলে লিংকে ক্লিক করে দেখতে পারেন ইউটিউবে। 

সরাসরি কেপ্লট  দিপে সুন্দরবনে বেড়াতে যেতে পারেন ।

এই পার্কটির উন্নয়নের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন ইমেইল আইডি Tiranjankhatua@gmail.com 

 বা ওখানে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে লিংক ক্লিক পার্ক ভিডিও
ম্যাপ লোকেশন 

২৯ আগ, ২০২৫

game app ends chitfund mony return apps

গেম অ্যাপ

বিভিন্ন ধরনের গেম অ্যাপ যা পয়সা লাগে না শুধু খেলে মজা নিতে পারেন এইসব গেমগুলো আপলোড করে বাচ্চারা খেলতে পারে বাড়িতে।

 খুবই কম এমবির এবং কোন টাকা দিতে হয় না এখানে শুধু মজা নিতে হয়। 
আপনার খুবই সহজ গেম গুলো খেলতে খুব সুন্দর লাগে। 
খুব নেশাও ধরে না অল্প সময়ে খেলার পর মন ভরে যায় বিরক্তিকর নয় গেমগুলো। 

এবং চিটফান্ড কোম্পানির যদি টাকা পেতে চান আবেদন করার জন্য এবং আবেদন করেছেন স্ট্যাটাস চেক করার জন্য অ্যাপসগুলি আছে আপনি লিংকগুলোতে লেখা আছে সেই লিংকে আপনার কোন অ্যাপসটি লাগবে এগুলোর নাম দেখে ক্লিক করে ইন্সটল করবেন ।

এই অ্যাপগুলো এপিকে ফাইল এগুলো প্লে স্টোরে পাওয়া যায় না। এইগুলো ক্ষতিকরও নয়। আপনার মন চাইলে আপনি ইন্সটল করতে পারেন। ধন্যবাদ।

রোজভেলি বা সমস্ত চিট ফান্ড কোম্পানি টাকা ভারতের অ্যাপ

শুধু রোজভ্যালি টাকা ফেরত এর অ্যাপ

এটি প্রাইভেট অ্যাপ প্রসেসিং এ আছে, নতুন ভালো কিছু হতে পারে এই অ্যাপটিতে। লিংকটি ইন্সটল করে রাখতে পারেন।

২৮ আগ, ২০২৫

Shramashree app Downloads

শ্রমশ্রী অ্যাপ ডাউনলোড পাঁচ হাজার টাকা মাসে পেতে ।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মহাশয়া
 শ্রমশ্রী প্রকল্পে যারা পরিযায়ী শ্রমিকরা মাসে 5000 টাকা পেতে পারেন যারা যোগ্য সঠিকভাবে আবেদন করতে পারলে আপনি আরো বিভিন্ন রকমের সুবিধে পাবেন। 

তাই আপনার মোবাইল দিয়ে আপনি আবেদনটি করতে পারেন একটি অ্যাপ লঞ্চ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অ্যাপটি এখন প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে না নিচের লিংক আছে ক্লিক করে ইন্সটল করতে পারেন এবং আপনার মোবাইল দিয়ে আবেদন করতে পারেন।

 যারা কর্ম সাথী প্রকল্পে কর্ম সাথী প্রটালে আবেদন করেছিলেন তারা প্রথম অপশনে মোবাইল নাম্বারে ওটিপি দিয়ে আপনি বিভিন্ন রকম অপশন আছে পরে ঠিক করতে পারেন।

 অথবা যারা কোথাও আবেদন করেননি এর আগে নতুন তারা নিচের অপশনে নিউ রেজিস্ট্রেশনে ক্লিক করে সমস্ত কিছু ভালোভাবে পূরণ করে আবেদন করতে পারেন ।

নিচে লিঙ্ক দেয়া হলো এবং ফর্ম পূরণ করার বিষয় বিশদে জানতে যদি চান তাহলে কমেন্ট করবেন পরের ব্লগে জানিয়ে 
শ্রমশ্রী অ্যাপ click links sramasri app click links

৪ জুন, ২০২৫

শিক্ষার নামে ভারতবর্ষে লুঠতরাজ চলছে, ৫০ টাকার বই ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শিক্ষার নামে ভারতবর্ষে লুঠতরাজ চলছে প্রতি বছর একটি শব্দ দুটি শব্দ পাল্টে দিয়ে নতুন বই বিক্রি হচ্ছে প্রতিবছর বই বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ৫০ টাকার বই কথাও ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবাই চুপ আরো বিশদে জানতে হলে পড়ুন।

ভারতবর্ষে ২০০২ সালের আগে পর্যন্ত শিক্ষা চিকিৎসা ন্যায় ব্যবস্থা বা বিচার ব্যবস্থা পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ মানা হতো।
 আমাদের শিক্ষা বিচার এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা কম লাভে চলত।

 আর দেখুন আজ সব থেকে বেশি লুটতরাজ টাকা ইনকাম চলছে শিক্ষা বিচার চিকিৎসা ব্যবস্থাতে এখন স্কুলে ভর্তি চলছে। এডমিশন চলছে। একদম ছোট থেকে ছোট বড় স্কুলগুলোতে লুট তোরাজ চলছে। একদম ছোট স্কুলগুলো কেজি নার্সারি স্কুলগুলোতে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার বই কিনতে হচ্ছে আর এর থেকে একটু উচ্চমানের ভালো স্কুল হলে তো কথাই নেই ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বই কিনতে হচ্ছে।

 আর এর থেকে বেশি স্কুল ড্রেসের ক্ষেত্রেও লুট চলছে। ছোটখাটো স্কুল চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার সেট, একটু মধ্যবিত্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার আরো একটু উচ্চতর স্কুল হলে তো কুড়ি থেকে ২৫ হাজার টাকার স্কুল ড্রেস কিনতে খরচ পড়ে যায় মোটামুটি লুটতরাজ সমস্ত ক্ষেত্রেই হয়ে যাচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে লু ট বিচারব্যবস্থায় লুঠ চিকিৎসা ব্যবস্থাতে লুঠ।

 আগে স্কুলে একবার ভর্তি ফি বা এডমিশন করালেই হত এখন তো প্রতিবছর ভর্তি ফি লাগছে। মানে প্রতিটা ক্লাসে নতুন করে ভর্তি হতে হচ্ছে। এটা কেমন নিয়ম।
 দুঃখের বিষয় এই সমস্ত কিছু সরকারেরও জানা আছে শিক্ষামন্ত্রী ও জানা আছে চিকিৎসা মন্ত্রীরা যারা আছে প্রশাসন শাসন কিছু দেশে প্রতিবাদ করে এমন সংগঠনদেরও জানা আছে। এই যে কোচিন মাফিয়া শিক্ষা মাফিয়া বই মাফিয়া স্কুল  মাফিয়া এরা পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে হাইজ্যাক করে নিয়েছে।

 সরকার তো চুপচাপ বসে আছে কোথাও এই ব্যবস্থার জন্য সাধারণ পরিবারের গার্ডিয়ানরা প্রতিবাদ করলেই তাকে সেখান থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হচ্ছে। 

বইতে নিগোসেফ করে না ৫০ টাকার বই এমআরপি থেকে বিক্রি করে যে বই সিআরপি তে ৫০ টাকায় পাওয়া যায় সেই একই বই সেই একই সিলেবাস সেই একই চ্যাপ্টার প্রাইভেট ক্ষেত্রে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 
আর এইসব সরকার দেখছে জবলপুরের ডিএম শুধুমাত্র সিএনজির বই চালু করেছে যা খুবই কম দাম ।
এই ব্যবস্থা সারা ভারতবর্ষে করা উচিত শুধুমাত্র  জবলপুরে কেন? সমস্ত ভারতের রাজ্যে সবাই কম দামের  বই কিনে পড়ুক বই ছাপানো নামে বই বিক্রির নামে ব্যবসা চলছে। শিক্ষামন্ত্রীর বিষয়টা দেখা উচিত এই যে প্রাইভেট ওই দোকানগুলো দশ টাকার বই ১০০ টাকায় বিক্রি করছে এটা কি ঠিক হচ্ছে।
 এনসিআরটির বই তিন চার বছর করে চলে তাহলে কেন প্রাইভেট থেকে বই কিনতে হবে ncrt প্রতিবছর সিলেবাস চেঞ্জ করে না। কিন্তু প্রাইভেটের ক্ষেত্রে প্রতিবছর সিলেবাস চেঞ্জ করে দেয়। এই প্রাইভেট সংস্থাগুলো দুটো চ্যাপ্টার পাল্টে দিয়ে বলে যে পরের বছর সেই পুরনো বইগুলো আর চলবে না নতুন করে বই কিনতে হবে যাদের দুটো বাচ্চা ধরুন বড় টি ফাইভে পড়ে ছোট ছেলেটি ফোরে পরের বছর ছোট ছেলেটি ফাইভে উঠলে তার দাদার বইগুলো শেয়ার করতে পারবে না কারণ নতুন করে আবার বই কিনতে হবে ভাবুন কিভাবে মানুষকে নিগড়ে পয়সা নেয়া হচ্ছে। 
শিক্ষামন্ত্রী সরকার চুপ করে আছে। কেন এখানে কি কোন গভীর ষড়যন্ত্র আছে মানুষকে নিংড়ে নেওয়ার মাত্র একটি দুটি পাতা আলাদা করে দিই বলছে নতুন বই পরের বছর কিনতে হবে প্রতিবছর আলাদা আলাদা করে নতুন বই কিনতে হবে প্রতি ক্লাসে। এটা কেমন বিচার আসলে কিছু কিছু স্কুল ওদের থেকে কমিশন খায় যার কারণে এইসব হচ্ছে কোথাও কোথাও স্কুল গুলি ঠিক করে দেয় যে আমাদের নির্বাচিত বই দোকানগুলি থেকে বই কিনতে হবে এবারে ধরুন স্কুলের কাছেই চারটি বই দোকান আছে। ওই বই দোকানগুলি থেকে কয়েক লক্ষ টাকা করে ওই স্কুলগুলি নিয়ে নেয় এবারে ওই স্কুলের ছাত্র গুলিকে ওই বই দোকান থেকেই বই কিনতে হবে স্কুল মাফিয়া আর বই পাবলিশ করে যারা একটি সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। 
এটি একটি চক্র যা মানুষের থেকে পয়সা লুটে নেবে। আর এই শিক্ষা ব্যবস্থা এমন হয়ে গেছে যারা ভদ্র শিক্ষিত সমাজের লোকজন বাচ্চা পড়াতে এত খরচ মাত্র একটি করে ছেলে নিচ্ছে। এখানে জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে। এবং একটি গোষ্ঠীর মানুষ তারা ছেলেদেরকে পড়ায় না। তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভালো চোখে নেয় না। তাই তাদের জনসংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে এবং ভারতবর্ষে এই গোষ্ঠীর জনসংখ্যা অশিক্ষিতের জনসংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে তাই এত অনাচার অত্যাচার চলছে চারিদিকে।
 আমি সরকারকে অনুরোধ করব এই রাইট টু এডুকেশন আইন পাল্টান পুরো দেশে মেন্ডেটরি করুন যে কোন স্কুল যে কোন রাজ্যে সারা রাজ্যে সমস্ত শিক্ষা বোর্ড সবাইকে একসঙ্গে march করে মানে যত রকমের ভারতবর্ষের শিক্ষা বোর্ড আলাদা আলাদা রকমের আছে সবাইকে একসঙ্গে মার্চ করে একই নিয়মে কম খরচে সারা ভারতবর্ষে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হোক কেন হবে না?
 যদি সারা ভারতবর্ষে একটাই রেলবোর্ডের মাধ্যমে সমস্ত রাজ্যের কোনায় কোনায় রেল পরিষেবা দেওয়া যেতে পারে তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থা নয় কেন।
 শিক্ষা ব্যবস্থায় বিভিন্ন রাজ্যের কোনায় কোনায় আলাদা আলাদা শিক্ষা বোর্ড সমিতি এসব হবে আলাদা নিয়ম হবে একই যদি নেতাজি রবীন্দ্রনাথ গান্ধীর গল্প হয় তাহলে প্রতিবছর কেন আলাদা করে বই কিনতে হবে একই ক্লাসে। একই তো গল্প এমন তো নয় যে প্রতিবছর একটা করে নতুন গান্ধীজীর জন্ম হচ্ছে নেতাজির জন্ম হচ্ছে ভারতবর্ষের ম্যাপ প্রতি বছর পাল্টে যাচ্ছে প্রতিবছর মানুষের ধান গাছের রং পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে এমন তো নয় তাহলে কেন কেন শিক্ষা ব্যবস্থায় এত টাকা এত দুর্নীতি হবে।

 আমার মতে সারা ভারতবর্ষে একটাই স্কুল বোর্ডের মাধ্যমে সারা ভারতবর্ষের সবাই পড়তে পারে যে যার নিজের নিজের রাজ্যের ভাষায় পড়তে পারে। যেমন রেল চলছে। এনসিআরটি তারা কি বিশেষভাবে সক্ষম নয় যার কারণে প্রাইভেট শিক্ষা বোর্ডের উপর দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হয়।

 এনসিআরটির একটি সুবিধা একটি বই তিন চার বছর পড়া যায়। মানে ক্লাস ফোরের এই বছর যেই বইটি এনসিআরটি থেকে কেনা হয়েছে। সেই একই বই চার পাঁচ বছর ওই একই ক্লাসে পড়া যাবে ধরুন আপনার চারটি ছেলে বড় ছেলেটি পড়ে পড়ে সে যেই বইটি কিনলো তারপরের ক্লাস থ্রি দ্বিতীয় শ্রেণী ক্লাস ওয়ানের ছেলেগুলিও ওই ফোর ক্লাসে এসে ওই একই বইটি পড়তে পারবে। আপনার বই কেনার খরচটি অনেক কমে যাবে।

 প্রাইভেট যারা বই বিক্রি করে তারা প্রতিবছর একটি দুটি পাতা পাল্টে দিয়ে বলবে যে প্রতি বছর একই ক্লাসের নতুন বই কিনতে হবে এইসব বন্ধ হওয়া উচিত এই যে স্কুল ড্রেসের নামে লুঠ চলছে ভারত সরকারের উচিত সমস্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুলে সাধারণ কমদামের পোশাক চালু করা উচিত সারা ভারতবর্ষে কেন্দ্র বিদ্যালয় গুলি যে আছে সেসব কিন্তু সাধারণ মানের পোশাক এবং একই নিয়মে চলছে সমস্ত স্কুলে একই ধরনের পোশাক করা উচিত না হলে এই পোশাক দোকানদাররা আলাদা আলাদা ভাবে লুট চালাচ্ছে। অবশ্যই এখানে কমিশনের সিস্টেম আছে স্কুলে প্রতি বছর ভর্তি করার নামে লোক বই কিনার নামে লুট পোশাক কেনার নামে লুট সবেতে লুট চলছে ভারতবর্ষে সমস্ত শিক্ষা ক্ষেত্রে একই আইন প্রয়োগ করা উচিত।

 যে স্কুল নিয়ম মানবে না এরকম দু'চারটে স্কুল সরকার যদি বন্ধ করে দেয় তাহলে দেখবেন সমস্ত স্কুল নিয়ম মেনে চলছে। আবার অনেক স্কুলে উন্নয়নের ফ্রি একটাও রুম বাড়ছে না স্কুলের কোন উন্নয়ন হচ্ছে না কিন্তু প্রতি বছর উন্নয়নের নামে ছাত্রদের থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। আপনি আবার একটু খেয়াল করে দেখুন একই ক্লাসের পাশাপাশি দুটি স্কুল। একজন নিচ্ছে ২৫০ টাকা ভর্তি ফি আবার সেই একই ক্লাসে পাশের স্কুলটি নিচ্ছে ২ হাজার টাকা ভর্তি ফি ভাবা যায় কিন্তু যে ২ হাজার টাকায় বেশি নিচ্ছে তার স্কুলের ছাত্রদের পড়াশোনার মান কিন্তু ততো ভালো নয়। যে কম নিচ্ছে তার স্কুলের ছাত্রদের রেজাল্ট অনেক ভালো এরকম অনেক উদাহরণ আছে। 

ভারতবর্ষের শিক্ষা বিচার এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা আগে ফ্রি ছিল মানে এখানে সেভাবে পয়সা কড়ি কোন দিতো হতো না এখন তো ব্যবসার নামে লুট চলছে তবে শিক্ষা স্বাস্থ্য বিচার ব্যবস্থার নামে এতটা লুটতরাজ না করলে কি নয় ?

সরকারকে আমি অনুরোধ করছি সরকার চালাচ্ছেন দয়া করে এইগুলোকে একটু দেখুন। না হলে মানুষের আস্থা দিন দিন কমে যাচ্ছে আপনাদের থেকে। মানুষই যদি সবকিছু করে নেবে নিজে নিজে তাহলে সরকারের থাকা দরকার কি এত শিক্ষায় ফি বাড়ার পরেও কি এমন পড়াচ্ছে ছাত্রদের ছাত্ররা বাবা-মাকে সম্মান করে না পরিবার ভেঙে টুকরো হয়ে যাচ্ছে স্বাস্থ্য ভালো যাচ্ছে না সামাজিক অবক্ষয় চারিদিকে তাহলে শিক্ষাতে এত টাকা খরচ করে লাভ কি হচ্ছে।

 শিক্ষাতে ভারতীয় সংস্কৃতি ঋষি মহাৠষীদের অভিজ্ঞতা শেখানো হচ্ছে না।
 সেখানে হুমায়ুন বাবর যাদের শিক্ষা শেখানো হলে সারা পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। হিংসা বেড়ে যাবে তাদের শিক্ষাই শেখানো হচ্ছে ভারতবর্ষে সমস্ত স্কুলে একই নিয়ম হওয়া উচিত আসলে এই শিক্ষা ব্যবস্থা নামে একটি খেল চলছে খেলা চলার কারণ এই যে শিক্ষা মাফিয়া এরা একটি বড় টাকা ডোনেট করে পাটি ফান্ডে। 

তাই নেতারা চুপ করে থাকে। আর নেতারা চুপ আর যারা বই ছাপায় বই দোকানদার এরা পার্টিতে খুব বড় টাকা একটি ফান্ডিং করে যারা সমাজের সমাজবাদী লোক মানে সমাজের খারাপ কিছু নিয়ে প্রতিবাদ করে তারাও চুপ করে থাকে তারা শুধু একটি আন্দোলন করেই বসে থাকে কারণ সেখানেও ফান্ডিং হয়।

 এসব প্রতিবাদ সাধারণ মানুষকে দেখানোর জন্য হয়। বাস্তবে সব জায়গায় দুর্নীতি এই নিয়ে একটি কোটে কেস দায়ের হয়েছে যিনি কেস দায়ের করেছেন তার ইচ্ছে মানে এক শেসন সারা ভারতবর্ষে একই আইন সারা ভারতবর্ষে চালু করা উচিত। 

দেখা যাক কি হয় আপনাদের মতামত তুলে ধরবেন। ভারতে এনসিআরটির বই চালু করা উচিত তাতে স্কুলে যাওয়ার বাচ্চাদের বইয়ের ওজন কম হবে। এই যে এত রকমের বই এ একটা ব্যবসা আর এই যে বিভিন্ন রকমের পরীক্ষা হয় তাও আপনি ভেবে দেখুন। বিরাট একটি ব্যবসা এত কিছু করে কি লাভ হচ্ছে ।

সারা বছরে কোম্পানিতে আর সরকারি চাকরি হচ্ছে ?
প্রতি এক একটি রাজ্যে বছরে ৫-৬ লক্ষ ছেলে স্কুল শেষ করে বাড়িতে বসে থাকে তাদের গার্জিয়ান রা তাদের পিছনে কত টাকা খরচ করেছে সেটা হিসেব করলে চোখ কপালে উঠে যাবে। কিন্তু সেই টাকা যদি এতটা পড়াশোনার ক্ষেত্রে না খরচ করে রেখে দেওয়া যেত তারা সারা জীবন সে ভালো খেয়ে মেখে জীবন অতিবাহিত করতে পারে।

এখন তো শিক্ষায় কোটি কোটি টাকা খরচ করে একটি ছেলেকে জাস্ট জুয়ায় তুলে দেওয়ার মত হয়। যদি সে সরকারি বা কোম্পানির ভালো চাকরি না পায় পড়ার শেষে তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে তাই বাবা মাকে অতি গারিয়ান কে সতর্ক হওয়া উচিত বর্তমানে শিক্ষার নামে একটি লুটতরাজ ব্যবসা চলছে। তাই আপনার কত টাকা আছে ছেলেটা পড়ার পর কিন্তু কিছুই করতে পারবে না। তার সারা জীবনটা কিভাবে চলবে সেই ভাবে টাকা তার পিছনে খরচ করবেন। সতর্ক থাকবেন। 

 কিন্তু এই শিক্ষা স্বাস্থ্য বিচারের নামে মানুষের থেকে নিংড়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকারের এসব কিছু বন্ধ করা উচিত আপনার কি মত ?

১৬ মে, ২০২৫

পরমাণু বোমা তৈরি করতে খরচ কত ?

পরমাণু বোমা তৈরি করতে খরচ কত এর সংরক্ষণ করতে খরচ কত পরমাণু বোমা কি শুধুই ভয় দেখানোর জন্য ?

প্রায় 80 বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পৃথিবীতে হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে দুটি পরমাণু বোমা ফেলা হয়েছিল। তার প্রভাব সারা বিশ্ব আজও দেখছে এবং ভোগ করছে। 

সেই পরমাণু বোমাতে একটি শহরে এক লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ এবং আরেকটি শহরে ৮০ হাজার মানুষ ঝলসে পুড়ে মারা গিয়েছিল এই হিসাবটি বেসরকারি।
 সরকারি হিসেবে একটু কম।
 এখনো জাপানে হিরোশিমা নাগাসাকিতে বিকলাঙ্গ শিশুদের জন্ম হচ্ছে। এই পরমাণু বোমা পৃথিবীতে এখন খুবই আধুনিককরন হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পরমাণু বোমাটির জা শক্তি ছিল বর্তমান পৃথিবীতে যে কয়েকটি রাষ্ট্র তে পরমাণু বোমা আছে তার কয়েক গুণ বেশি শক্তি এবং আরো মারাত্মক ভাবে তৈরি করা হয়েছে।

 বিশেষজ্ঞদের মতে বর্তমান যে পরমাণু বোমা তৈরি হয়েছে তা যদি একটি পৃথিবীতে কোন লোকালয়ে ফেলা হয় সেই জায়গাটি কয়েকশো বছর কোন প্রাণের গঠন হবে না মরুভূমিতে পরিণত হয়ে যাবে। 

এখন আসুন জেনে নিই এই পরমাণু বোমা তৈরি করতে খরচ কত একটি পরমাণু বোমা তৈরি করতে ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত।
 শুধু বোমা তৈরি করলেই হবে না এর সংরক্ষণ করতে হবে। একে মাটির অনেক গভীরে ঠান্ডা জায়গায় মানে ঠান্ডা করে রাখতে হয়। 

এর সংরক্ষণ করতে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে এই পরমাণু বোমা সংরক্ষণে এ পর্যন্ত 8 লক্ষ থেকে দশ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হয়েছে একটি রাষ্ট্রের ।

এই পরমাণু বোমা কত দিন পর্যন্ত ভালো থাকে ৩০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত ।

একে আবার নতুন করে তৈরি করতে হয়। আবার ৪০ থেকে ৫০ বছর ভালো থাকবে। এই পরমাণু বোমা তৈরি এবং সংরক্ষণ করতে প্রচুর টাকা খরচ হয় আবার এই পরমাণু বোমা শুধু তৈরি করে রাখলেই হয় না যদি কোন রাষ্ট্রের উপর আঘাত হানতে হয় এই বোমা কে একটি মিসাইল এর উপর ভর করে পাঠাতে হবে। 

এই এক একটি মিসাইল খরচ বড় ছোট পরমাণু বোমার উপর নির্ভর করে এবং বেশি কম পাল্লার সেরকম খরচ কম 35 থেকে 4০০ কোটি টাকা প্রতিটি মিসাইল একটি করে পারমাণবিক বোমা বহন করবে ।

আপনাদেরকে যতটুকু সম্ভব হিসেব দিতে পারলাম কারণ কি পরমাণু বোমা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সামনে সঠিকভাবে কোন লেখা বাহির করা নিষিদ্ধ। তাই আনুমানিক একটি হিসেব তুলে ধরলাম কমেন্ট করে জানান।

৪ মে, ২০২৫

রোজভ্যালী টাকা ফেরত দিচ্ছে ওয়েবসাইট কত দিন খোলা থাকতে পারে এ ডি সি ?

রোজ ভ্যালি চিট ফান্ড কোম্পানি টাকা ফেরত দিচ্ছে। তাড়াতাড়ি করুন বন্ধ হয়ে যাবে আবেদন করা ওয়েবসাইট

রোজভ্যালির এডিসি কমিটি টাকা ফেরত দিচ্ছে আমানতকারীদের অনেকদিন থেকে।

 একটি ওয়েবসাইট চালু হয়েছে এবং তাতে প্রায় এ পর্যন্ত 32 লক্ষেরও বেশি আমানতকারী আবেদন করেছেন। এবং এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ ছয় ধাপে অ্যাকাউন্ট ডিসপোজাল কমিটির দিলীপ সেট মহাশয় পরিচালনায় প্রায় ৫৪ হাজারেরও মতো প্রতারিত আমানতকারীরা টাকা ফেরত পেয়েছেন।

 এবং প্রায় এক লক্ষ কুড়ি হাজারেরও বেশি আমানতকারী আবেদনে বিভিন্ন রকমের ভুলের কারণে তারা টাকা ফেরত পায়নি। 

যারা আবেদন করেছেন তাদের বিভিন্ন রকমের ভুল হয়েছে যেমন ব্যাংক একাউন্টের সংখ্যা নামের বানানের দু একটি অক্ষর আধার কার্ডের কিছু সংখ্যা এইরকম ত্রুটি বিচ্যুতি হয়েছে সেই ভুলগুলি সংশোধন করার জন্য ADC কমিটি থেকে আবার পুনরায় মেসেজ করা হয়েছে বা তাদের জন্য আবার কেওয়াইসি এডিট করার জন্য অপশন খুলে দেওয়া হয়েছে তারা তাদের সার্টিফিকেট নাম্বার দিয়ে অ্যাপস ওপেন করে অথবা ওয়েবসাইটে গিয়ে ওই লিংকে গিয়ে আবার তারা সঠিকভাবে আবেদনটি সম্পূর্ণ করে সাবমিট করতে পারেন।
 ধরুন যাদের বানান ভুল আধার কার্ড ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সার্টিফিকেটের সঙ্গে মানানসই বানান নেই তারা এফিট ওপিট একটি জমা দেবেন বিশেষ করে যারা এখনো আবেদন করেননি, বিভিন্ন রাজ্যে অনেকে হয়তো জানেই না বা গড়িমসি করছে আবেদন করব তারা তাড়াতাড়ি আবেদন করে দিন।

 সম্ভবত তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আবেদন করার জন্য ওয়েবসাইটটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং যারা আবেদন করেছেন তাদের ভুল যদি থাকে তারা কমিটি থেকে মেসেজ পেলে আবার তারা কে ওইসি এডিট করতে পারবেন তার জন্য কোন সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।

 এ পর্যন্ত এডিসি কমিটি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত টাকা ফেরত করেছেন একজন গ্রাহকের জন্য ।
তবে প্রথমে ২১ কোটি টাকার মত পেয়েছিলেন এবারে প্রায় কয়েকশো কোটি টাকা পেয়েছেন বা আরো কিছু সম্পত্তি আছে সেগুলো বিক্রি করেও আরো টাকা হবে তবে কমিটির লক্ষ্য দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সবার টাকা ফেরত করে দেওয়া।
 টাকা ফেরত পেয়েছেন যারা ধরুন আপনি এক লক্ষ টাকা দিয়েছেন। অথবা ৩০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন আপনাকে 12 হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে। আর বাদ বাকি টাকা ও কিস্তি অনুসারে আপনাকে ফেরত করবে এডিসি কমিটি। একসঙ্গে পুরোটা পাবেন না ।

যারা রোজভ্যালি বা অন্যান্য চিট ফান্ড কোম্পানির আবেদন করতে চান তারা একটি অ্যাপস এপিকে ফাইল ইনস্টল করে রাখতে পারেন যার মধ্যে আপনি সাহারা রোজভ্যালি বা তালুকদার কমিটির সমস্ত কোম্পানির একসঙ্গে আবেদন করতে পারবেন। অপশন দেওয়া আছে মানে ওই অ্যাপটিতে একসঙ্গে সমস্ত ওয়েবসাইটগুলোকে ওর ভেতরে রাখা আছে যাতে আপনি ওয়েবসাইটগুলো খুঁজেতে আপনাকে হয়রানি পেতে হয় ।

মাঝে মাঝে আপনি যে আবেদন করেছেন তার সার্টিফিকেট নাম্বার দিয়ে টেটাস চেক করতে পারবেন আবার আবেদনও করতে পারবেন লিংকটি এই ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন অ্যাপস যদি ইন্সটল করতে চান প্রথমে এপিকে ফাইলটা ডাউনলোড করে আপনার chrome browser কে অনুমতি দিয়ে আপনার মোবাইলে ইন্সটল করে নিতে পারেন অ্যাপস লিংক 
ক্লিক করুন rose valley aap

ওল ফল

ওল ফল ওল ফল, এটি দুষ্প্রাপ্য ফল , এটি হাতেগুনা মাত্র কয়েকজন ব্যক্তি দেখেছে চোখে । কারণ আমাদের একটি সুস্বাদু খাবার যা মাটির নিচে গাছের হয় ত...