হিল কাট সোয়েটার পুরুষদের জন্য ফুলহাতা এবং মাথায় টুপি সহ একটি সুন্দর রঙের সুন্দর ডিজাইনের খুবই কম দামে অফার চলছে সীমিত সময়ের জন্য এক্ষুনি এই লিংকে ক্লিক করে কিনতে পারেন amazon থেকে।
tiranjankhatua.blogspot.com এই ব্লগে আপনারা দারুন দারুন সব খবর পাবেন যেমন চিটফান্ড টাকা ফেরত এর জন্য অনলাইনে বিভিন্ন কোম্পানির মাল কেনাকাটা কম দামে আরো মজার মজার খবর পাবেন।
728.90
১৩ নভে, ২০২৪
১২ নভে, ২০২৪
কাপড় শুকনো স্টিলের স্ট্যান্ড বা কাপড় রাখার জন্য
খুব সুন্দর উপহার বা বাড়ির ব্যবহারের জন্য তিলের স্ট্যান্ড এখানে এই জিনিসটি দিয়ে কাপড় শুকাতে পারবেন অনেকগুলি কাপড় দিয়ে রাখতে পারবেন। যদি কিনতে চান এই লিংকে ক্লিক করুন আমাজন থেকে খুব কম দামে সীমিত সময়ের অফার কিনতে পারেন। ২৫৫২/ টাকা ভারতীয় মুদ্রায়
70% Rs-2.552/
click link একটি সুন্দর কাপড় রাখার স্ট্যান্ড
প্রেম কিভাবে করবেন
আপনি পুরুষ কিংবা মহিলা হন আপনার যাকে পছন্দ তার কাজ দিয়ে বারে বারে যাবেন এবং সুন্দর সুন্দর কিছু কথা বলার চেষ্টা করবেন চাইলে তাকে মাঝে মাঝে সুন্দর সুন্দর ছোটখাটো গিফট দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
যদি কিনতে চান লিংকে ক্লিক করুনএই পোশাকটি যদি কিনতে চান এই লিংকে ক্লিক করে আমাজন থেকে খুব কম দামে কিনতে পারেন
১৩ আগ, ২০২৪
লাভ জেহাদ ফাঁদ
লাভ জেহাদীদের কর্মকৌশল ও পদ্ধতি:-
১। কলেজের প্রথম বর্ষ, প্রথম ক্লাস: প্রথম ক্লাসেই লাভ জেহাদীরা ভাল করে খেয়াল করবে ক্লাসে নাম ডাকার সময় যে ক্লাসে মোট কতজন হিন্দু মেয়ে আছে।
২। কলেজের দ্বিতীয় ক্লাস থেকে চতুর্থ মাস: লাভ জেহাদীরা যেচে নিজেরাই হিন্দু মেয়েগুলোর সাথে আলাপ পরিচয় করবে এবং তাদের সকলের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেবে, একাজে তাদের পরিপূর্ণ সাহায্য ও সহযোগিতা করবে ক্লাসের এবং কলেজের মুসলিম মেয়েরা, এমনকি শিক্ষক ও শিক্ষিকারাও! মুসলিম ছাত্র ও ছাত্রীরা এই সম্ভাব্য শিকারদের চারপাশে একটা আলাদা গ্রুপ গড়ে তুলবে, তার মধ্যে হিন্দু ছাত্রদের প্রবেশ অলিখিত ভাবে নিষেধ থাকবে। হিন্দু মেয়েগুলো প্রথম থেকেই হিন্দু ছেলেদের এড়িয়ে চলবে, কি জানি যদি প্রেম হয়ে যায়! মুসলিম ছেলেদের সম্পর্কে তো আর সে ভয় নেই, তারা তো শুধুই বন্ধু! মুসলিম মেয়েরা তাদের এই ভয়কে আরও বাড়িয়ে} তোলার চেষ্টা করে যেতে থাকবে! কারণে ও অকারণে নিজেদের গ্রুপের মধ্যে হাই চাঁদনী, হাই সোমা প্রভৃতি সম্বোধন চলতে থাকবে। চতুর্থ মাস পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকবে!
৩। কলেজের চার মাস থেকে আট মাস: আস্তে আস্তে লাভ জেহাদীদের এবং তাদের ফ্রেন্ড সার্কেলের (সবাই মুসলিম) সাথে তাদের শিকারদের বন্ধুত্ব অনেক বেশী গভীর থেকে গভীরতর হয়ে উঠবে। তাদের বন্ধুদের সবাই যে শুধুই মুসলিম এটা সেক্যুলারিজম এর চশমা পরা শিকাররা খেয়ালই করবে না।এই সময় লাভ জেহাদীদের সাথে তাদের শিকারদের মোবাইল নাম্বার বিনিময় হবে। প্রথমে শুরু হবে রাত জেগে কথা বলা, তারপর ফেসবুক আর। হোয়াটস আপে চ্যাট। লাভ জেহাদীরা আলাদা গ্রুপ খুলবে সেখানে। শিকারদের মা বাবার জন্য তার নাম হবে স্টাডি গ্রুপ! কিন্তু মজার ব্যাপার এই গ্রুপে ক্লাসের হিন্দু ছেলেদের স্থান হবে না। অথচ কলেজের বাইরের অনেক লাভ জেহাদীরা এই গ্রুপে থাকবে। তারা থাকবে অন্য কলেজের ছাত্র সেজে, কিন্তু তাদের বেশীর ভাগই হবে লেখা পড়া ছেড়ে দেওয়া দোকানদার, মিস্ত্রী এমন কি অটোওয়ালা!
৪। কলেজের আট মাস থেকে প্রথম বর্ষের শেষ: লাভ জেহাদীরা শিকারদের রেস্টুরেন্টে নিয়ে যাবে খাওয়াতে, প্রথমে দল বেঁধে, তারপর আস্তে আস্তে ভরসা পেলে শুধু দুজনে। তারপর দুজনে মিলে বাড়ীতে না জানিয়ে (আসলে শুধুমাত্র শিকারের বাড়ীতে না জানিয়ে) দুজনে মিলে বেড়াতে যাবে নানা জায়গায়। লুকিয়ে রেস্টুরেন্টে গিয়ে নিষিদ্ধ মাংসের পদ আস্বাদ করবে ( শুধুই বীফ, পর্ক তো দূরের কথা, জেহাদীকে হালাল নয় এমন মাংসও খাওয়ানো যাবে না), তারপর শিকারকে নিজের বাড়ী নিয়ে যাবে। সেখানে গিয়ে শিকার আরও বেশী করে শিখবে যে সব ধর্মই সমান! এভাবেই কলেজের প্রথম বর্ষ শেষ হবে।
৫। এবার কলেজের দ্বিতীয় বর্ষ: এবার সব ধর্ম যে সমান তা হাতে কলমে প্রমাণ করার জন্য আস্তে আস্তে মন দেওয়া নেওয়ার পালা। বন্ধুদের, অর্থাৎ শিকার যাদের নিজের বন্ধু মনে করে তাদের দিক থেকে যতদূর সম্ভব উৎসাহ দেওয়া চলতে থাকবে। আমাদের হিন্দু মেয়েরা আবার শরীরের ব্যাপারে অত্যন্ত প্রাচীনপন্থী! তারা তাদের শরীরকে ভীষণ পবিত্র বলে মনে করে। এই বিষয়ে আমাদের মেয়েরা মনে করে কোন ছেলে যদি একবার তার অঙ্গ স্পর্শ করে, তবে তার শরীরের ওপর লাভ জেহাদীটার অধিকার জন্মে যায়। অন্য কোন পুরুষের স্পর্শ তখন থেকে তাদের কাছে চূড়ান্ত অপবিত্র! এরপর তাকে বোঝাতে গেলে, অন্য সব কিছুর সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করতে পারলেও এই একটা ব্যাপারে তারা একান্তই অনড়! বিষয়টা আগে থাকতে জানা থাকায় জেহাদী হায়েনারা এই সুযোগটাই নেয় সবার আগে। বাইরে কোথাও ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়েই হোক, বা নিজের বাড়ীতে সকলের সম্মতিতে ঘরে ঢুকে দরজা আটকেই হোক তারা আসল কাজটি সম্পন্ন করে ফেলে। যদি নিজের বাড়ীতে হয় তাহলে শিকারকে বোঝানও যায় যে দেখ আমার বাড়ীর লোক কত উদার! এখানেও শেষ নয়, স্মৃতি রক্ষার নাম করে ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দী করেও রাখা হয়। অপরিচিত জায়গায় শিকারের পক্ষে কোন কিছুতেই বাধা দেওয়া সম্ভব হয় না। এরপর লাভ জেহাদীর সঙ্গে কাজী সাহেবের বাড়ীতে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। অত:পর বিবাহ সম্পন্ন হবে, নাম এফিডেভিট করে হয়ে যাবে জারিনা বা হাসিনা বেগম। বাবা, মা ও আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে হয় সম্পূর্ণ বিচ্ছেদ, নয়ত নামমাত্র সম্পর্ক। বন্ধু বলতে শুধুমাত্র সেই পুরোনো লাভ জেহাদী গ্রুপ! লেখাপড়ারও সেখানেই ইতি, আধুনিকা সুন্দরী এবার বোরখাওয়ালী বিবি।
৬। বিবাহিত জীবনের প্রথম কয়েক মাস: এবার শুরু হবে ইসলামাইজেশন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও আত্মীয়দের বাড়ীতে দাওয়াত উপলক্ষে গরুর মাংস খাওয়ানো!নিয়মিত নামাজ, রোজা রাখা, আর কাফের ও মালাউনদের সম্পর্কে অনেক নিয়মিত নিন্দা ও মগজ ধোলাই, যার ফলে শিকার নিজেই নিজের বাড়ীর লোকের সঙ্গে যে নামমাত্র সম্পর্ক ছিল তাও ত্যাগ করবে।
৭। বিবাহিত জীবনের প্রথম কয়েক মাসের পর থেকে ৩ বছর: এবার ধীরে ধীরে শুরু হবে নানাপ্রকার শারীরিকভাবে নির্যাতন। প্রথমে যৌতুকের জন্য চাপাচাপি, তারপর বাপের বাড়ী থেকে টাকা না আনতে পারলে মালাউনের মেয়ে, তারপর লাভ জেহাদীটি বাদে পরিবারের সবাই মিলে বিভিন্ন রকমের অশ্রাব্য কুৎসিত গালাগালি, তারপর প্রহার। লাভ জেহাদীটা তখন বারবার শুধু একটা কথাই বলতে থাকবে, "একটু কষ্ট করে মানিয়ে নাও, বুঝতেই তো পারছ অন্যরকম পরিবেশ, কদিন বাদেই সব ঠিক হয়ে যাবে।"
এর মধ্যে ৩ বছরে ৩টি বাচ্চা, সামলানো বেশ কঠিন।
৮। বিবাহিত জীবনের প্রথম ৩ বছরের পর: ৩টি বাচ্চা হয়ে যাবার পর স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে উৎসাহের অভাব। ফলে লাভ জেহাদীটির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ। ফলে আরও দুইটা বিবির (সতীন) আগমন। লাভ জেহাদীর ঘরে আর স্থান নেই। নতুন বেগমরা স্বামীর প্রিয়তমা, আমাদের নায়িকার স্থান বাড়ীর বিনা বেতনের দাসীর মত। বাচ্চাদের মুখ চেয়ে সব সহ্য করে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা! আরও কদিন পর তালাক, কোন ভরণপোষণ নয়, কোন ক্ষতিপূরণ নয়। তিনটে বাচ্চার হাত ধরে সোজা রাস্তায়। লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়া হয়েছে মাঝপথে, কাজেই ভদ্র চাকরি পাবার কোন আশাও নেই। তিনটি জীবিকা হাতে, ভিক্ষা, দাসীবৃত্তি অথবা পৃথিবীর প্রথম আদিমতম জীবিকা!!! ব্যস,আর কি চাই?
সৌজন্য: দেবল দেব বসু
২৪ জানু, ২০২৪
রোজভ্যালি চিটফান্ড কোম্পানির টাকা ফেরতের অর্ডার কপি ২০২৩ সারা ভারতবর্ষের জন্য
রোজভ্যালি চিটফান্ড কোম্পানির টাকা ফেরতের অর্ডার কপি ২০২৩ সারা ভারতবর্ষের জন্য
আমানতকারীদের জন্য যে শেষ অর্ডারটা হয়েছে এবং এই এডিসি ডিসপোজাল কমিটির দ্বারা সারা ভারতবর্ষের আমানতকারীরা আবেদন করতে পারবেন তাই বাংলায় বিবরণ করে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম আর একটু অপেক্ষা করুন কমিটি খুব দ্রুত ওয়েবসাইট খুলে দেবে এবং আবার পুনরায় পেপার পত্রিকার মাধ্যমে আপনাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হবে কমিটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ
1. প্রার্থনা (ক) অনুমোদিত। আবেদনকারীকে 2015 সালের APOT 287-এ পক্ষের উত্তরদাতা হিসাবে যুক্ত করা হবে। রিট পিটিশনের কারণ শিরোনামে প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
2. রিট পিটিশনের অনুলিপি যোগ করা উত্তরদাতাকে দেওয়া হবে।
3. 2023 সালের GA 5 নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অতএব, প্রার্থনা (b) নিষ্ফল হিসাবে নিষ্পত্তি করা হয়। 2023 সালের GA 7-এ আবেদনকারীকে তার অভিযোগ তুলে ধরার স্বাধীনতা থাকতে হবে।
4. এই নির্দেশের সাথে 2023 সালের GA 6 নিষ্পত্তি করা হয়।5. ছুটির পর এক সপ্তাহের মধ্যে এফিডেভিট-ইন-বিরোধিতা দাখিল করতে হবে। এর দুই সপ্তাহ পর জবাব দিতে হবে।
6. ছুটির তিন সপ্তাহ পরে (7.12.2023) বিষয়টি উপস্থিত হবে৷
Re: WPA 27005 of 2016
7. পক্ষগুলির সম্মতিতে নিম্নলিখিত আদেশটি পাস করা হয়:
8. এটি রেকর্ড করা হয়েছে যে জনাব রমাধন ডাগর, ডেপুটি ডিরেক্টর (ইডি) যিনি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির সদস্য ছিলেন, তখন থেকে তাকে বদলি করা হয়েছে এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ইতিমধ্যেই এডিসিতে তার স্থলাভিষিক্ত হিসাবে জনাব অজয় লুহাচকে মনোনীত করেছে।
9. পক্ষের সম্মতি দ্বারা সম্পত্তি নিষ্পত্তি কমিটিকে রুম নম্বর ব্যবহার ও দখল করার জন্য ছুটি দেওয়া হয়। 401 এবং 402 4র্থ তলায় 5, ম্যাঙ্গো লেন, কলকাতার রোজ ভ্যালি গ্রুপ অফ কোম্পানির অ্যাসেটটি অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির অতিরিক্ত অফিস হিসাবে ব্যবহার করার জন্য, যতক্ষণ না রাজ্য সরকার সম্পদের কাজ করার জন্য একটি বিকল্প জায়গা প্রদান করে। নিষ্পত্তি কমিটি।
10. কোম্পানিকে আমানতকারীদের কাছ থেকে দাবি আমন্ত্রণ, দাবির যাচাইকরণ এবং পরবর্তী পরিশোধের জন্য এক ব্যক্তি কমিটির জন্য উপলব্ধ একই লাইনে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি এবং বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
11. উপরে নির্দেশিত ওয়েবসাইটটি তৈরি হয়ে গেলে, রোজ ভ্যালি গ্রুপ অফ কোম্পানির আমানতকারী/বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে দাবি আমন্ত্রণ জানিয়ে ইংরেজি, হিন্দি এবং আঞ্চলিক ভাষায় নেতৃস্থানীয় সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করার জন্য সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটি SEBI-কে নির্দেশ দিতে পারে।
12. SEBI ই-নিলামের মাধ্যমে রোজ ভ্যালি গ্রুপ অফ কোম্পানির সম্পদ বিক্রির বিজ্ঞাপনও প্রকাশ করবে যা সময়ে সময়ে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটি দ্বারা চিহ্নিত এবং নির্দেশিত হতে পারে।
13. উপরোক্ত অনুচ্ছেদ 4 এবং 5-এ উল্লেখিত নির্দেশাবলীর ক্ষেত্রে SEBI দ্বারা ধার্য করা প্রশাসনিক খরচ সহ সমস্ত খরচ, খরচগুলি বিক্রয়ের অর্থের উপর প্রথম চার্জ হবে৷ তাদের খরচ, খরচ ইত্যাদি সমন্বয় করার পরে ব্যালেন্সের পরিমাণ ADC অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে। যাইহোক, SEBI অগ্রিম/প্রদানের হিসাব দেখিয়ে যথাযথ বিল জমা দেবে যাতে প্রয়োজনে ADC দ্বারা রিপোর্টের মাধ্যমে আদালতের সামনে পেশ করা যায়।
14. সম্পত্তির সমস্ত বিক্রয় সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির তত্ত্বাবধানে হবে এবং এই আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে৷
15. ADC-এর চেয়ারম্যানের পারিশ্রমিক ধার্য করা হয়েছে টাকা। প্রতি মাসে 2,00,000/-। MPS-এ পাস করা 23.12.2015 তারিখের আদেশে নির্দেশিত নির্দেশ পালনের জন্য ADC-কে স্বাধীনতা দিতে হবে।কোম্পানির গ্রুপ, প্রতিষ্ঠানের খরচ এবং তার কর্মীদের তহবিলের বাইরে যা সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হবে বা বিক্রয় আয় গঠন করবে।
16. এই ধরনের বিক্রয় পরিচালিত না হওয়া পর্যন্ত কোম্পানী টাকা প্রদান করতে থাকবে৷ খরচ মেটাতে এডিসিকে প্রতি মাসে 2,00,000/- টাকা। কোম্পানী টাকা দিতে হবে. 10,00,000/- এডিসি চেয়ারম্যানের অ্যাডহক পারিশ্রমিকের প্রতি।
17. সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটি একজন নোডাল অফিসার এবং একজন ব্যক্তিগত সচিব এবং তার পছন্দের একজন স্টেনোগ্রাফার নিয়োগ করতে স্বাধীন।
18. স্বাধীনতার উল্লেখ।
(অজয় কুমার গুপ্ত, জে।)
Joymalya Bagchi, J.
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
বামপন্থী কবিতা আলতাকিয়া
মুখেতে কংগ্রেস,বামপন্থীর মুখোশ, বুকের ভেতর নাচে ইসলাম। মূর্তির পূজারী হিন্দু বিরোধী হয়েও তোরা নিজ পেট চালাতে মূর্তি পুজাতে দিবি বই দোকান ? ...
-
পৃথিবী তে মানব মানবি দেহের গঠন অনুযায়ী যোনির আকৃতি হয় , আবার সব লিঙ্গ সব যোনিতে আরাম দায়ক হয় না । তাই মরিচিকার মত ছেলে মেয়েরা এর ওর প...
-
<script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script> <script> (adsbygoogl...
-
ভারতবর্ষে এখনও রামচন্দ্রের বংশ জীবিত 7 ভারতীয় ইতিহাস যদি দেখা যায় । কৃষ্ণের মৃত্যুর পর দির্ঘ হিন্দু শাসন চলে । পরে মুসলিম শাসনের পর...