728.90

২০ সেপ, ২০২৬

Tiranjan Khatua

তিরঞ্জন খাটুয়া

ইনি একজন পুরুষ
 তিনার বাবা-মার নামের অক্ষর মিলিয়ে এনার নাম একটি বিতর্কিত তিরঞ্জন খাটুয়া নাম রেখেছেন।

পিতা মনোরঞ্জন ।
মাতা আরতি রানী খাটুয়া মান্না।
 ইনার দুই ভাই এক বোন ।
তিনার আনুমানিক ছয় থেকে ৭ বছরের মধ্যে মাতৃ বিয়োগ হয়। 
ইনার মাতৃ বিয়োগের সময় ইনি ক্লাস ওয়ান এর সান্মাসিক পরীক্ষা দিচ্ছিল ।

পরে তার মায়ের শ্রাদ্ধ শান্তির পর মেদিনীপুর নন্দীগ্রাম হরিপুরে স্কুলে ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা করেন অবশ্য সেখানে গিয়েই যেহেতু শিশু অবস্থায় মনে ছিল না তাই তিনি ক্লাস থ্রিতে সরাসরি ভর্তি হয়ে যায়। 
পরে দেবীপুরে ভর্তি হয়েছিলেন কয়েকদিন ক্লাস করার পরে আবার সুন্দরবনের ডাক্তার বি সি রায় মেমোরিয়াল বিদ্যাপীঠে কয়েক বছর পড়াশোনা করেন। 

শোনা যায় ইনি, সুন্দরবন মেদিনীপুর মিলিয়ে বিভিন্ন ইপি স্কুল এবং হাই স্কুল মিলিয়ে প্রায় আটটিরও বেশি স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু স্কুল ডিগ্রি খুবই কম তা সত্ত্বেও ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা।
 কোরআন ,বাইবেল ,ত্রিপিটক ,গীতা ,রামায়ণ-মহাভারত ,চাণক্য নীতি, অ্যাস্ট্রোলজি, সামুদ্রিক শাস্ত্র, খনার বচন, কোক শাস্ত্র ,এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বনামধন্য গ্রন্থ গুলি অধ্যায়ন করেছিলেন।

 যেমন পারস্য উপন্যাস আরব্য উপন্যাস গ্রিস ফ্রান্স ইংল্যান্ড আমেরিকা জাপান আরো ইত্যাদি স্বনামধন্য রাষ্ট্রগুলির বই ও ইনি অধ্যয়ন করেছেন।
 তিনি কম্পিউটারে বেসিক ট্রেনিং দিয়েছেন ইনি হস্তরেখা ছাড়াও বিভিন্ন আইনি বই এবং ভারতের স্বামী বিবেকানন্দ বিদ্যাসাগর রবীন্দ্রনাথ ইত্যাদি মানুষদেরও চরিত্রের বিষয়ে বইগুলি পড়াশোনা করেছেন। 

এসবই প্রাইভেটে করেছিলেন তিনি জুয়েলারি বিদ্যায় পারদর্শী হয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর বিজনেস করেছেন তিনি মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যাটারি ঘড়ি দেওয়াল ঘড়ি হাত ঘড়ি রিপেয়ারিং কৃষি কাজ নাগরদোলা বেলুন শুটিংয়ের ব*ন্দুক সারাই ছাড়াই বিভিন্ন কাজে পারদর্শী ছিলেন।

 তিনি একজন হাস্যরসিক রোমান্টিক মানুষ ছিলেন ইনি ছোটবেলাতে অনেক নিজে নাটক লিখেছেন এবং বাচ্চাদের মাঝে নাটক তৈরি করতেন হাস্যকৌতুক লিখতেন এবং কয়েকটি সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠানে তা জনসাধারণের সামনে স্টেজের মধ্যে কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে খুব সুন্দর হাস্যকৌতুক উপস্থাপন করেছেন যা তখন মানুষের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল আনন্দ দিয়েছিল।

 ইনার সাহস অপরিসীম তিনি সুন্দরবনের জঙ্গল থেকে জলে এবং পাহাড় থেকে সমতলে ছোটবেলা থেকে বড় অবস্থাতেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনার সাহসের লোকো কথা শোনা যায় ।
ইনার দুই পুত্র ।

Manoranjan Khatua kplot

মনোরঞ্জন খাটুয়া, কেপ্লট

মনোনয়ন খাটুয়া ইনার আদি বাড়ি 
পূর্ব মেদিনীপুর 
গ্রাম তাজপুর 
পোস্ট হরিপুর 
থানা নন্দীগ্রাম 
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ 
রাষ্ট্র ভারতবর্ষ 
ইনার পাঁচ ভাই দুই বোন 
এনার পিতার নাম নিরাপদ খাটুয়া। মাতা শান্তবালা।
 ইনার বাবার দুই ভাই ছিল ।
ইনি কর্মক্ষেত্রে অনেক রকমের কর্ম করতেন যেমন রাজমিস্ত্রি ছুতার মিস্ত্রি একজন দক্ষ কারিগর ছিল।

 ব্যবসা অনেক রকম করতেন। যেমন সুন্দরবনে পাথরপ্রতিমা থানার অন্তর্গত অচিন্তনগর কে প্লট ব দ্বীপে তিনি দীর্ঘদিন বসবাস এবং ব্যবসা করেছেন।

 ইনার ব্যবসা গুলো ছিল মাইক জেনারেটর ডেকোরেটর ক্যাটারিং এর মালপত্র।
 মূর্তি প্রতিমা গড়তে জানতেন রাজমিস্ত্রি কাজের ভালো মন্দির এবং রথ কাঠের জগন্নাথ সুভদ্রা বলরাম নিম কাঠের তৈরি করতে পারতেন এবং করেছেন।
ইনি ১৬ থেকে ১৭ এইরকম বয়সে হলদিয়াতেও কিছুদিন একটি ইলেকট্রিক কারখানায় কাজ করতেন ইনার শিক্ষাগত যোগ্যতা ক্লাস এইট পর্যন্ত ইনি হরিপুরের স্কুলে পড়াশোনা করেছেন
দেবীপুরেও পড়াশোনা করেছেন ।

ইনার বাবা গরিব লোক ছিল ওনার বাবা তাঁতের শাড়ি বুনতেন ইনি আর ইনার বড় ভাই কে প্লটে থেকে বাড়ি ঘর করে বসবাস করেন এবং তিনি পাশের দ্বীপে এল প্লটের গুণধর মান্নার এক কন্যা আরতী রানী খাটুয়া মান্নাকে বিবাহ করেন  ইনার স্ত্রী প্রায় আনুমানিক ২৮ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে মারা যান তিনার প্রথম পক্ষে মোট তিনজন কন্যা দুই পুত্র জন্মেছিল পরে দুই কন্যা জন্মের অল্প বয়সেই মারা যায় জীবিত দুই পুত্র এক কন্যা বর্তমান।
তিনি বিভিন্ন জায়গায় শিব মন্দির বা অন্য বিভিন্ন রকমের মন্দির তৈরীর ভালো মিস্ত্রি ছিলেন এবং সুন্দরবনের ব-দ্বীপে বা মেদিনীপুরের কিছু জায়গায় রাস্তার পাশে বসার জন্য ইটের ছোটখাটো একটি করে ব্রেঞ্চ তৈরি করে দিতেন অবশ্য সেখানে লেখা থাকতো দাতা মনোরঞ্জন খাটুয়া ।
এরকম প্রায় কয়েক হাজার বেঞ্চ ইনি দান করেছিলেন।
ইনি সিপিএমের কর্মী ছিলেন পরে তৃণমূল আসার পরে রাজনীতি ছেড়ে দেন এবং তার নিজেও ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন কর্ম কাজেই মন দেন। 

ইনি দীর্ঘদিন প্রায় ২৫-৩০ বছর বেশি বছর ধরে সুগার রোগে আক্রান্ত।
ইনি ছোটবেলা থেকেই সংসারের খরচ থেকে শুরু করে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ফিস্ট ব্যবসা এইসব খাতা মেন্টেন্স করতেন এবং নিজ হাতে ভালো করে লিখতে জানতেন বাংলাতে। 

কবিতা ও লিখতেন। ইনি কে প্লটে থাকার সময় প্রথমে স্টেশনারি মনহারি দোকান করেছিলেন কিছুদিন স্কুলে স্কুলে বইয়ের ব্যবসা করতেন দীর্ঘদিন শঙ্খ এবং হাতের শাখা দোকানদার হিসেবে পরিচিতি ছিল ইনি দেখতে সুন্দর ছিলেন।

 সে কারণে অবিবাহিত এবং বিবাহের পরেও অনেক মেয়েদের মন জিতে নিতেন। সহজে অবশ্য
এ নিয়ে সেরকম কোন পরকীয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসেনি।

 ইনার জীবদ্দশায পরবর্তীকালে ইনার বড় ছেলে কেপলট পুলের বাজারের মধ্যে ইনারি একটি দোকানে স্বর্ণ দোকান মানে জুয়েলার্স ব্যবসা দীর্ঘ 25-30 বছর করেছিলেন ইনার কন্যা নার্সিং ট্রেনিং নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ডাক্তারি পেশায় যুক্ত হয়েছেন এবং সুনাম অর্জন করেছিলেন ।

এনার আরেকটি পুত্র সেবিকের কাজও করেছেন।

উনি কে প্লটে একটি মনোরঞ্জন মিনি পার্ক তৈরি করেছেন যা google এ সার্চ করলে মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কে প্লট নামে উপস্থিত হয়। 

ইনার ছোটবেলা থেকে ফুলবাগানের শখ ছিল বিভিন্ন রকম ফুলের গাছ লাগাতেন বাড়িতে। যা এলাকায় থাকত না উনি শহর থেকে কিনে আনতেন।
 কে প্লট একটি প্রান্তিক গ্রাম অনুন্নত সেখানে অনেক বছর আগে থেকেই পায়খানার এবং বাড়িতে ইলেকট্রিক বা আসবাবপত্র অনেক আধুনিক অনেক এডভান্স তিনি তৈরি করতেন নিজ হাতে।
 যা মানুষের কাছে বিস্ময় ছিল ।
ইনার মন-মানসিকতা আবিষ্কারক ধরনের ছিল।


Tiranjan Khatua

তিরঞ্জন খাটুয়া ইনি একজন পুরুষ  তিনার বাবা-মার নামের অক্ষর মিলিয়ে এনার নাম একটি বিতর্কিত তিরঞ্জন খাটুয়া নাম রেখেছেন। পিতা মনোরঞ্জন । মাতা ...