ইনি একজন পুরুষ
তিনার বাবা-মার নামের অক্ষর মিলিয়ে এনার নাম একটি বিতর্কিত তিরঞ্জন খাটুয়া নাম রেখেছেন।
পিতা মনোরঞ্জন ।
মাতা আরতি রানী খাটুয়া মান্না।
ইনার দুই ভাই এক বোন ।
তিনার আনুমানিক ছয় থেকে ৭ বছরের মধ্যে মাতৃ বিয়োগ হয়।
ইনার মাতৃ বিয়োগের সময় ইনি ক্লাস ওয়ান এর সান্মাসিক পরীক্ষা দিচ্ছিল ।
পরে তার মায়ের শ্রাদ্ধ শান্তির পর মেদিনীপুর নন্দীগ্রাম হরিপুরে স্কুলে ফাইভ পর্যন্ত পড়াশোনা করেন অবশ্য সেখানে গিয়েই যেহেতু শিশু অবস্থায় মনে ছিল না তাই তিনি ক্লাস থ্রিতে সরাসরি ভর্তি হয়ে যায়।
পরে দেবীপুরে ভর্তি হয়েছিলেন কয়েকদিন ক্লাস করার পরে আবার সুন্দরবনের ডাক্তার বি সি রায় মেমোরিয়াল বিদ্যাপীঠে কয়েক বছর পড়াশোনা করেন।
শোনা যায় ইনি, সুন্দরবন মেদিনীপুর মিলিয়ে বিভিন্ন ইপি স্কুল এবং হাই স্কুল মিলিয়ে প্রায় আটটিরও বেশি স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু স্কুল ডিগ্রি খুবই কম তা সত্ত্বেও ইনি শিক্ষাগত যোগ্যতা।
কোরআন ,বাইবেল ,ত্রিপিটক ,গীতা ,রামায়ণ-মহাভারত ,চাণক্য নীতি, অ্যাস্ট্রোলজি, সামুদ্রিক শাস্ত্র, খনার বচন, কোক শাস্ত্র ,এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বনামধন্য গ্রন্থ গুলি অধ্যায়ন করেছিলেন।
যেমন পারস্য উপন্যাস আরব্য উপন্যাস গ্রিস ফ্রান্স ইংল্যান্ড আমেরিকা জাপান আরো ইত্যাদি স্বনামধন্য রাষ্ট্রগুলির বই ও ইনি অধ্যয়ন করেছেন।
তিনি কম্পিউটারে বেসিক ট্রেনিং দিয়েছেন ইনি হস্তরেখা ছাড়াও বিভিন্ন আইনি বই এবং ভারতের স্বামী বিবেকানন্দ বিদ্যাসাগর রবীন্দ্রনাথ ইত্যাদি মানুষদেরও চরিত্রের বিষয়ে বইগুলি পড়াশোনা করেছেন।
এসবই প্রাইভেটে করেছিলেন তিনি জুয়েলারি বিদ্যায় পারদর্শী হয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর বিজনেস করেছেন তিনি মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যাটারি ঘড়ি দেওয়াল ঘড়ি হাত ঘড়ি রিপেয়ারিং কৃষি কাজ নাগরদোলা বেলুন শুটিংয়ের ব*ন্দুক সারাই ছাড়াই বিভিন্ন কাজে পারদর্শী ছিলেন।
তিনি একজন হাস্যরসিক রোমান্টিক মানুষ ছিলেন ইনি ছোটবেলাতে অনেক নিজে নাটক লিখেছেন এবং বাচ্চাদের মাঝে নাটক তৈরি করতেন হাস্যকৌতুক লিখতেন এবং কয়েকটি সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠানে তা জনসাধারণের সামনে স্টেজের মধ্যে কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে খুব সুন্দর হাস্যকৌতুক উপস্থাপন করেছেন যা তখন মানুষের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল আনন্দ দিয়েছিল।
ইনার সাহস অপরিসীম তিনি সুন্দরবনের জঙ্গল থেকে জলে এবং পাহাড় থেকে সমতলে ছোটবেলা থেকে বড় অবস্থাতেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এনার সাহসের লোকো কথা শোনা যায় ।