728.90

২০ সেপ, ২০২৬

Manoranjan Khatua kplot

মনোরঞ্জন খাটুয়া, কেপ্লট

মনোনয়ন খাটুয়া ইনার আদি বাড়ি 
পূর্ব মেদিনীপুর 
গ্রাম তাজপুর 
পোস্ট হরিপুর 
থানা নন্দীগ্রাম 
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ 
রাষ্ট্র ভারতবর্ষ 
ইনার পাঁচ ভাই দুই বোন 
এনার পিতার নাম নিরাপদ খাটুয়া। মাতা শান্তবালা।
 ইনার বাবার দুই ভাই ছিল ।
ইনি কর্মক্ষেত্রে অনেক রকমের কর্ম করতেন যেমন রাজমিস্ত্রি ছুতার মিস্ত্রি একজন দক্ষ কারিগর ছিল।

 ব্যবসা অনেক রকম করতেন। যেমন সুন্দরবনে পাথরপ্রতিমা থানার অন্তর্গত অচিন্তনগর কে প্লট ব দ্বীপে তিনি দীর্ঘদিন বসবাস এবং ব্যবসা করেছেন।

 ইনার ব্যবসা গুলো ছিল মাইক জেনারেটর ডেকোরেটর ক্যাটারিং এর মালপত্র।
 মূর্তি প্রতিমা গড়তে জানতেন রাজমিস্ত্রি কাজের ভালো মন্দির এবং রথ কাঠের জগন্নাথ সুভদ্রা বলরাম নিম কাঠের তৈরি করতে পারতেন এবং করেছেন।
ইনি ১৬ থেকে ১৭ এইরকম বয়সে হলদিয়াতেও কিছুদিন একটি ইলেকট্রিক কারখানায় কাজ করতেন ইনার শিক্ষাগত যোগ্যতা ক্লাস এইট পর্যন্ত ইনি হরিপুরের স্কুলে পড়াশোনা করেছেন
দেবীপুরেও পড়াশোনা করেছেন ।

ইনার বাবা গরিব লোক ছিল ওনার বাবা তাঁতের শাড়ি বুনতেন ইনি আর ইনার বড় ভাই কে প্লটে থেকে বাড়ি ঘর করে বসবাস করেন এবং তিনি পাশের দ্বীপে এল প্লটের গুণধর মান্নার এক কন্যা আরতী রানী খাটুয়া মান্নাকে বিবাহ করেন  ইনার স্ত্রী প্রায় আনুমানিক ২৮ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে মারা যান তিনার প্রথম পক্ষে মোট তিনজন কন্যা দুই পুত্র জন্মেছিল পরে দুই কন্যা জন্মের অল্প বয়সেই মারা যায় জীবিত দুই পুত্র এক কন্যা বর্তমান।
তিনি বিভিন্ন জায়গায় শিব মন্দির বা অন্য বিভিন্ন রকমের মন্দির তৈরীর ভালো মিস্ত্রি ছিলেন এবং সুন্দরবনের ব-দ্বীপে বা মেদিনীপুরের কিছু জায়গায় রাস্তার পাশে বসার জন্য ইটের ছোটখাটো একটি করে ব্রেঞ্চ তৈরি করে দিতেন অবশ্য সেখানে লেখা থাকতো দাতা মনোরঞ্জন খাটুয়া ।
এরকম প্রায় কয়েক হাজার বেঞ্চ ইনি দান করেছিলেন।
ইনি সিপিএমের কর্মী ছিলেন পরে তৃণমূল আসার পরে রাজনীতি ছেড়ে দেন এবং তার নিজেও ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন কর্ম কাজেই মন দেন। 

ইনি দীর্ঘদিন প্রায় ২৫-৩০ বছর বেশি বছর ধরে সুগার রোগে আক্রান্ত।
ইনি ছোটবেলা থেকেই সংসারের খরচ থেকে শুরু করে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ফিস্ট ব্যবসা এইসব খাতা মেন্টেন্স করতেন এবং নিজ হাতে ভালো করে লিখতে জানতেন বাংলাতে। 

কবিতা ও লিখতেন। ইনি কে প্লটে থাকার সময় প্রথমে স্টেশনারি মনহারি দোকান করেছিলেন কিছুদিন স্কুলে স্কুলে বইয়ের ব্যবসা করতেন দীর্ঘদিন শঙ্খ এবং হাতের শাখা দোকানদার হিসেবে পরিচিতি ছিল ইনি দেখতে সুন্দর ছিলেন।

 সে কারণে অবিবাহিত এবং বিবাহের পরেও অনেক মেয়েদের মন জিতে নিতেন। সহজে অবশ্য
এ নিয়ে সেরকম কোন পরকীয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসেনি।

 ইনার জীবদ্দশায পরবর্তীকালে ইনার বড় ছেলে কেপলট পুলের বাজারের মধ্যে ইনারি একটি দোকানে স্বর্ণ দোকান মানে জুয়েলার্স ব্যবসা দীর্ঘ 25-30 বছর করেছিলেন ইনার কন্যা নার্সিং ট্রেনিং নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ডাক্তারি পেশায় যুক্ত হয়েছেন এবং সুনাম অর্জন করেছিলেন ।

এনার আরেকটি পুত্র সেবিকের কাজও করেছেন।

উনি কে প্লটে একটি মনোরঞ্জন মিনি পার্ক তৈরি করেছেন যা google এ সার্চ করলে মনোরঞ্জন মিনি পার্ক কে প্লট নামে উপস্থিত হয়। 

ইনার ছোটবেলা থেকে ফুলবাগানের শখ ছিল বিভিন্ন রকম ফুলের গাছ লাগাতেন বাড়িতে। যা এলাকায় থাকত না উনি শহর থেকে কিনে আনতেন।
 কে প্লট একটি প্রান্তিক গ্রাম অনুন্নত সেখানে অনেক বছর আগে থেকেই পায়খানার এবং বাড়িতে ইলেকট্রিক বা আসবাবপত্র অনেক আধুনিক অনেক এডভান্স তিনি তৈরি করতেন নিজ হাতে।
 যা মানুষের কাছে বিস্ময় ছিল ।
ইনার মন-মানসিকতা আবিষ্কারক ধরনের ছিল।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Thanks

Tiranjan Khatua

তিরঞ্জন খাটুয়া ইনি একজন পুরুষ  তিনার বাবা-মার নামের অক্ষর মিলিয়ে এনার নাম একটি বিতর্কিত তিরঞ্জন খাটুয়া নাম রেখেছেন। পিতা মনোরঞ্জন । মাতা ...